ইমাম রেজার (আ.) জিয়ারতের ব্যতিক্রমী ফজিলত

ইমাম রেজার (আ.) জিয়ারতের ব্যতিক্রমী ফজিলত

হযরত আলী ইবনে মুসা রেজা (আ.) হলেন রাসূলের (সা.) পবিত্র আহলে বাইতের ইমামতিধারার ৮ম ইমাম। তিনি ৭ম ইমাম হযরত মুসা কাজীমের (আ.) সুযোগ্য সন্তান এবং ৯ম ইমাম হযরত মুহাম্মাদ তাকীর (আ.) সম্মানিত পিতা।

আবনা ডেস্কঃ ইসলামের নির্ভরযোগ্য বর্ণনা অনুযায়ী রাসূল (সা.) তার ইন্তেকালের পর এ উম্মতের দিকনির্দেশনা ও হেদায়েতের জন্য বহুবার বিভিন্ন প্রেক্ষিতে ১২ জন মাসুম ইমামের নাম ও পরিচয় মানুষের নিকট উপস্থাপন করে গেছেন। যাতে কেউ বিভ্রান্ত ও বিপথগামীর শিকার না হয়। এ কারণে রাসূলের (সা.) ঘোষণা অনুযায়ী শিয়া মাযহাবের অনুসারীরা রাসূলের ওফাতের পর থেকে ১২ জন মাসুম ইমামের প্রতি বিশ্বাস পোষণ করে থাকে এবং তাদেরকে শিয়া ইশনা আশারি তথা ১২ ইমামি বলা হয়।
কিন্তু সময়ের আবর্তে ১২ ইমামগণের ধারাবাহিকতায় শিয়া মাযহাবের মধ্যেও কিছু গোষ্ঠির সৃষ্টি হয়েছে, যারা নির্দিষ্ট ইমাম পর্যন্ত আকিদাপোষণের পর বিপদগামীর শিকার হয়ে ভিন্ন পথে ধাবিত হয়েছে। যেমন: কেউ ৪র্থ ইমাম জয়নুল আবেদীন (আ.) থেকে ১২ ইমামের ধারা থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছেন যাদেরকে জায়দি বলা হয় আবার কেউ কেউ ৬ষ্ঠ ইমাম হযরত ইমাম জাফর সাদীক (আ.) থেকে বিচ্যুত হয়ে ৭ম ইমাম হযরত মুসা কাজীমের (আ.) প্রতি আকিদাপোষণ না করে তার অপর ভাই ইসমাইলকে ইমাম হিসেবে ধারণা করে ইমামতের ধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কিন্তু যার ৮ম ইমাম হযরত আলী ইবনে মুসা রেজা (আ.) পর্যন্ত ইমামতিধারার উপর আকিদাপোষণ করে, তারা পরিপূর্ণ ইমামতিধারা তথা রাসূলের (সা.) ঘোষণামতে ১২ ইমামিতে আকিদাপোষণ করে।
কাজেই এ দৃষ্টিকোণ থেকে ইমাম রেজা (আ.) বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও ফজিলতের অধিকারী। অর্থাৎ কারবালায় ইমাম হুসাইনের (আ.) পবিত্র মাজার জিয়ারত অপরিসীম ফজিলত রয়েছে। কিন্তু ইমাম হুসাইনের মাজার শুধুমাত্র ১২ ইমামে বিশ্বাসীরাই জিয়ারত করে না; বরং ৪ ইমাম কিংবা ৬ ইমামে বিশ্বাসীরাও জিয়ারত করে। অথচ ইমাম রেজার (আ.) পবিত্র মাজার ১২ ইমামে বিশ্বাসীরাই বিশেষ ভক্তি ও আবেগ নিয়ে জিয়ারত করে থাকে; যা এ মহান ইমামের জন্য ব্যতিক্রমী ফজিলত হিসেবে গণ্য।


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*

Arba'een
Mourining of Imam Hossein
Pesan Haji 2018 Ayatullah Al-Udzma Sayid Ali Khamenei
We are All Zakzaky