দোকান বসানো নিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নারী খুন

দোকান বসানো নিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নারী খুন

এ ঘটনায় নিহতের বাবা মকবুল আহমদ গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।

আবনা ডেস্কঃ কক্সবাজারের টেকনাফ নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আনছুর বেগম নামে এক রোহিঙ্গা নারী নিহত হয়েছেন। এ সময় নিহতের বাবাসহ চারজন আহত হয়েছেন।
এই ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে। এছাড়া আহতদের পুলিশ পাহারায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
নিহত আনছুর বেগম মকবুল আহমদের মেয়ে ও ইলিয়াছের স্ত্রী।
পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় টেকনাফের নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের ডি-ব্লকে মকবুল আহমদের ছেলে বশিরের মুদি দোকানের সামনে একই ব্লকের কালা মিয়ার ছেলে ছৈয়দ আহমদ জোরপূর্বক কবিরাজের দোকান বসায়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাক-বিতন্ডা এবং দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
থেমে থেমে বিকাল ৩টা পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনায় ছৈয়দ আহমদ গংয়ের হামলায় আনছুর বেগম মারা যায়। এ সময় নিহতের বাবা মকবুল আহমদ গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। নিহত আনছুর বেগমতে পোস্টমর্টের মর্গে প্রেরণ করা হয়।
পরে উত্তেজিত রোহিঙ্গারা গণধোলাই দিলে একই ব্লকের ছালেহ আহমদের ছেলে ইব্রাহীম (২৪), ছৈয়দ আহমদের স্ত্রী দিল বাহার (৪০) ও ছালেহ আহমদ (৫৫) আহত হয়।
এই ঘটনার পর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দায়িত্বরত পুলিশের আইসি মো. কবির হোসেন ও থানা পুলিশের এসআই মহির উদ্দিন খানের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে জনতার সহায়তায় ইব্রাহীম, দিল বাহার ও ছালেহ আহমদ, ছৈয়দ আহমদ, আবুল মাহাসান ও ইউছুপকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে আহতদের পুলিশী পাহারায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি রনজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, এই ঘটনায় আটক ছয়জনসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*

Pesan Haji 2018 Ayatullah Al-Udzma Sayid Ali Khamenei
We are All Zakzaky