আন্দোলনরত শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন জাতিসংঘ

গত ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলার বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়। এ ছাড়া আহত হয় বেশ কয়েকজন। নিহত শিক্ষার্থীরা হলো শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী দিয়া খানম মিম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম রাজীব।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা):গত ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলার বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়। এ ছাড়া আহত হয় বেশ কয়েকজন। নিহত শিক্ষার্থীরা হলো শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী দিয়া খানম মিম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম রাজীব।
এ ঘটনার জেরে বিগত ৮ দিন ধরে শান্তি পূর্ণ আন্দোলন করেছে ঢাকার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ৯ দফা দাবী জানায়। আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নিয়ে ড্রাইভারদের লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস চেক করতে থাকে। বাদ যায়নি মন্ত্রী, বিচারক, সচিব এমনকি পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়ীও।
এর প্রতিবাদে নিরাপত্তার ওজুহাত দেখিয়ে প্রথমে ঢাকার অভ্যন্তরিন রুটের সকল বাস এরপর আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে মালিক ও শ্রমিক সমিতি।
সাধারণ জনগণ দূর্ভোগের শিকার হলেও শিক্ষার্থীদের এ শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতে দেখা গেছে বেশিরভাগকেই। ৯ দফা দাবী নিয়ে যেগুলো একটি দেশের নাগরিকের ন্যূনতম অধিকার, ছাত্ররা শান্তিপূর্ণভাবে এ আন্দোলন অব্যাহত রাখে। দেশের বিভিন্ন জেলা শহরগুলোতেও ছাত্ররা মিছিল করে ঢাকায় আন্দোলনরত ছাত্রদের প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করেছে ইতিমধ্যে।
গত শনিবার রাতে রাজধানীর জিগাতলা এলাকায় পুলিশের সহায়তায় একদল সন্ত্রাসী স্কুল শিক্ষার্থী শিশু-কিশোরদের উপর নৃশংস হামলা চালালে শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়।
এদিকে, নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনরত শিশু ও তরুণদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।
গতকাল রোববার (৫ আগস্ট) জাতিসংঘ এবং এর সহযোগী ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ আরো তিনটি সংস্থা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগের কথা জানায়। সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সব পক্ষকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘ ঢাকা কার্যালয়ের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে ওই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতি বছর প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, রাজধানীতে কয়েকদিনে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা আহত হয়েছে। এটা গভীর উদ্বেগের বিষয়।
গত কয়েকদিনের সহিংসতার বিষয়ে সব পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো।
গত ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলার বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়। এ ছাড়া আহত হয় বেশ কয়েকজন। নিহত শিক্ষার্থীরা হলো শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী দিয়া খানম মিম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম রাজীব।
এরপর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করছে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা।


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*

Mourining of Imam Hossein
Pesan Haji 2018 Ayatullah Al-Udzma Sayid Ali Khamenei
We are All Zakzaky