খাশোগি হত্যাকাণ্ড: হাইড্রোফ্লুরিক অ্যাসিড যেভাবে মরদেহ গলিয়ে দেয়

খাশোগি হত্যাকাণ্ড: হাইড্রোফ্লুরিক অ্যাসিড যেভাবে মরদেহ গলিয়ে দেয়

সৌদি কনসাল জেনারেলের বাসায় যে রাসায়নিকের সন্ধান পাওয়া গেছে, তা কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ আল-ওতাইবির কক্ষেই ছিল।

আবনা ডেস্কঃ মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের কলাম লেখক ও সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যায় হাইড্রোফ্লুরিক অ্যাসিড ও অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর এই অ্যাসিডের ক্ষমতা নিয়ে কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।
'এসিডটিউব' নামের একটি ইউটিউব চ্যানেল এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখানো হয়েছে হাইড্রোফ্লুরিক অ্যাসিড কীভাবে সহজেই হাড়কে গলিয়ে ফেলে।
সম্প্রতি জেনারেলের কার্যালয়ের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা টিভি চ্যানেল জানিয়েছে, সৌদি কনস্যুলেটের পাশে কনসাল জেনারেলের বাড়িতে তুরস্কের তদন্ত দল ‘হাইড্রোফ্লুরিক’ অ্যাসিড ও অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যের উপস্থিতি পেয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার পর তার লাশ পুড়িয়ে ফেলতে ও এসব তথ্যপ্রমাণ মুছে ফেলতে ওই রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়েছে। সৌদি আরব এখনও খাশোগির মরদেহ নিয়ে কোনো বক্তব্য না দেওয়ায় এই আশঙ্কা বেড়েছে।
সৌদি কনসাল জেনারেলের বাসায় যে রাসায়নিকের সন্ধান পাওয়া গেছে, তা কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ আল-ওতাইবির কক্ষেই ছিল। তুর্কি তদন্তকারীরা তার কক্ষের ভেতর এর সন্ধান পান।
তুরস্ক থেকে আল-জাজিরার প্রতিবেদক অ্যান্ডু সিমনস বলেন, খাশোগি হত্যার দুই সপ্তাহ পর সৌদি কনসাল জেনারেলের বাসায় তল্লাশি চালায় তুরস্কের তদন্তকারী দল। তখনই তদন্ত দল এসব রাসায়নিকের সন্ধান পেয়েছিল। একটি সূত্রের বরাত দিয়ে সিমনস বলেন, ‘ওই দুই সপ্তাহের মধ্যে জামাল খাশোগির দেহ ভস্মীভূত করার জন্য রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছিল।’
জামাল খাশোগি গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেট ভবনে ঢোকার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে সৌদি আরব স্বীকার করে, খাশোগিকে কনস্যুলেট ভবনের ভেতরে হত্যা করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত খাশোগির মৃতদেহের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সৌদি আরবও এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি।#


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*

conference-abu-talib
We are All Zakzaky