মালদ্বীপে প্রধান বিচারপতিকে গ্রেপ্তার

মালদ্বীপে প্রধান বিচারপতিকে গ্রেপ্তার

মালদ্বীপে জরুরি অবস্থা জারির কয়েক ঘণ্টা পরই দেশটির সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিসহ দুজন বিচারপতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশটির চলমান রাজনৈতিক সংকট আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

আবনা ডেস্কঃ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও বিরোধী দলের নেতাদের মুক্তি না দেওয়ায় প্রধান সড়কে বিক্ষোভ করেন বিরোধীদলীয় নেতা কর্মীরা। এ সময় পুলিশ মোতায়েন করে সরকার। মালে, মালদ্বীপ, ৫ ফেব্রুয়ারি। ছবি: রয়টার্স
আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও বিরোধী দলের নেতাদের মুক্তি না দেওয়ায় প্রধান সড়কে বিক্ষোভ করেন বিরোধীদলীয় নেতা কর্মীরা। এ সময় পুলিশ মোতায়েন করে সরকার। মালে, মালদ্বীপ, ৫ ফেব্রুয়ারি।
মালদ্বীপে জরুরি অবস্থা জারির কয়েক ঘণ্টা পরই দেশটির সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিসহ দুজন বিচারপতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশটির চলমান রাজনৈতিক সংকট আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
প্রধান বিচারপতি আবদুল্লাহ সাঈদ ও আরেক বিচারপতি আলী হামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত বা কোনো অভিযোগ আনা হয়েছ কি না, এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়নি বলে বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়।
দুই বিচারপতিকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি বিরোধী দলের পক্ষ নেওয়া সাবেক প্রেসিডেন্ট মামুন আবদুল গাইয়ুমকে গৃহবন্দী করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
ধিভেহি এলাকা থেকে নিজের সমর্থকদের প্রতি অনলাইনে এক ভিডিও প্রকাশ করেছেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, তিনি গ্রেপ্তার হওয়ার মতো এমন কিছু করেননি। তিনি তাঁর সমর্থকদের অটল থাকার আহ্বান জানান।
গত সপ্তাহে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট সন্ত্রাসবাদে জড়িত অভিযোগে কারাবন্দী বিরোধীদলীয় নয়জন নেতাকে মুক্তির আদেশ দেন। তাঁদের মধ্যে বিদেশে স্বেচ্ছানির্বাসনে থাকা দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদও রয়েছেন। বহিষ্কার করা ইয়ামিনের দলের ১২ জন আইনপ্রণেতাকে স্বপদে ফিরিয়ে আনার আদেশও দেন আদালত। এই ১২ জন আইনপ্রণেতার ওপর থেকে বহিষ্কারাদেশ ফিরিয়ে নেওয়া হলে ৮৫ সদস্যের আইনসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে সরকারি দল। কিন্তু ইয়ামিনের সরকার আদালতের এ আদেশ প্রত্যাখ্যান করলে শুরু হয় রাজনৈতিক সংকট।
আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিনকে গ্রেপ্তার কিংবা অভিশংসনের নির্দেশ দিতে যাচ্ছেন বলে সরকারের কাছে খবর আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট যদি এমন নির্দেশ দেন, তবে তা অগ্রাহ্য করতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে আগাম নির্দেশ দিয়ে রাখেন ইয়ামিন। এই পরিস্থিতিতে দেশটির পার্লামেন্ট ঘিরে রাখে সেনাবাহিনী।
এ অবস্থায় দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন গতকাল সোমবার ১৫ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করেন। একই সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীকে গ্রেপ্তার ও জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করাসহ বিভিন্ন ক্ষমতা দেওয়া হয়।


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*

Arba'een
Mourining of Imam Hossein
Pesan Haji 2018 Ayatullah Al-Udzma Sayid Ali Khamenei
We are All Zakzaky