দায়েশ পরবর্তী ইরাককে খণ্ডবিখণ্ড করার ষড়যন্ত্র: বাগদাদের প্রতিক্রিয়া

দায়েশ পরবর্তী ইরাককে খণ্ডবিখণ্ড করার ষড়যন্ত্র: বাগদাদের প্রতিক্রিয়া

ইরাকের পার্লামেন্ট স্পিকার সালিম আল জাবুরি বলেছেন, বিদেশিদের মোড়লিপনা ও তার দেশকে বিভক্ত করার জন্য দেশের ভেতরে ও বাইরের বিভিন্ন মহলের পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

আবনা ডেস্ক: ইরাকের পার্লামেন্ট স্পিকার সালিম আল জাবুরি বলেছেন, বিদেশিদের মোড়লিপনা ও তার দেশকে বিভক্ত করার জন্য দেশের ভেতরে ও বাইরের বিভিন্ন মহলের পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।
সালিম আল জাবুরি ইরাকের ভবিষ্যত নিয়ে আমেরিকা ও কয়েকটি আরব দেশের একাধিক বৈঠকের ব্যাপারে এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ইরাক সরকার বিদেশি যেকোনো হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলে সম্প্রতি জেনেভায় ইরাক বিষয়ে আলোচনার পরপরই তুরস্কের ইস্তাম্বুলে আবারো সন্দেহজনক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেনেভা বৈঠকের মতো ইস্তাম্বুল বৈঠকেও দায়েশ পরবর্তী ইরাকের সুন্নি অধ্যুষিত এলাকাকে বিতর্কিত হিসেবে তুলে ধরার উপায় নিয়ে কথাবার্তা হয়েছে। তুরস্ক এ ধরণের বৈঠকের আয়োজন করে এবং কাতার ও সৌদি আরব ওই বৈঠকের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান দিয়েছিল।
ইরাকের কয়েকটি সুন্নি গ্রুপ এবং দায়েশ সন্ত্রাসীদের সমর্থক বলে পরিচিত কয়েকজন ব্যক্তিত্ব জেনেভা ও ইস্তাম্বুল বৈঠকে অংশ নেয়। তারা ইরাককে বিভক্ত করার জন্য আমেরিকা ও এ অঞ্চলের কয়েকটি আরব দেশের পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন দিচ্ছে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ'র সাবেক প্রধান ডেভিড পেট্রাউসের উপস্থিতিতে আমেরিকা ও ইউরোপের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। সন্দেহজনক ওই বৈঠকেও ইরাকের বিভিন্ন সুন্নি গ্রুপ উপস্থিত ছিল। বৈঠকে দায়েশ পরবর্তী ইরাকে পৃথক সুন্নি অধ্যুষিত এলাকা গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরাকে সেনা ও গণবাহিনীর মোকাবেলায় বিদেশি মদদপুষ্ট দায়েশ সন্ত্রাসীদের একের পর এক ব্যর্থতার পর এখন দায়েশ ও তাদের সমর্থকরা ইরাকে জাতিগত বিভেদ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে। এ অবস্থায় বিদেশিদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলার জন্য ইরাকের জনগণের মধ্যে ঐক্য জরুরি। দায়েশ সন্ত্রাসীদের প্রধান টার্গেট হচ্ছে ইরাকের সব ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষকে ধ্বংস করা। আর এ ষড়যন্ত্রের মোকাবেলায় ইরাকের সংবিধানের আওতায় সন্ত্রাসীদেরকে নির্মূল করা সবচেয়ে জরুরি হয়ে পড়েছে। ইরাকিদের ঐক্য দেশ খণ্ড বিখণ্ড করার বিদেশি ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে পারে। ইরাকে বিভিন্ন ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষ দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করে আসছে। তাই বিদেশী ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।#


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*

پیام امام خامنه ای به مسلمانان جهان به مناسبت حج 2016
We are All Zakzaky
telegram