চেহলুমের পদযাত্রা বিশ্বের মুক্তিকামী মুসলমানদের মহড়া

চেহলুমের পদযাত্রা বিশ্বের মুক্তিকামী মুসলমানদের মহড়া

রাসূলের (সা.) প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র ইমাম হুসাইনের (আ.) চেহলুম উপলক্ষে ইরাকের পবিত্র কারবালা শহর অভিমুখে প্রতি বছর কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের পদযাত্রা সারা বিশ্বে মুক্তিকামী মুসলমানদের শক্তি ও ঈমানের এক নজিরবিহিন মহড়াতে পরিণত হয়েছে।

আবনা ডেস্কঃ রাসূলের (সা.) প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র ইমাম হুসাইনের (আ.) চেহলুম উপলক্ষে ইরাকের পবিত্র কারবালা শহর অভিমুখে প্রতি বছর কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের পদযাত্রা সারা বিশ্বে মুক্তিকামী মুসলমানদের শক্তি ও ঈমানের এক নজিরবিহিন মহড়াতে পরিণত হয়েছে।
শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: ২০শে সফর মোতাবেক ১০ নভেম্বর হচ্ছে সাইয়েদুশ শোহাদা ইমাম হুসাইনের (আ.) শোকাবহ শাহাদতের চেহলুম। এ চেহলুমের শোকানুষ্ঠান উদযাপনের জন্য ইতিমধ্যে ইরাকের কারবালা শহর অভিমুখে রাসূলের (সা.) আহলে বাইতের প্রতি ভক্তিপোষণকারী লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পদযাত্রা শুরু করেছে। তারা শত শত কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে কারবালা শহরে উপস্থিত হবে।
ইমাম হুসাইনের (আ.) চেহলুমে উপলক্ষে এ নজিরবিহিন পদযাত্রা মানবেতিহাসে এক অভূতপূর্ব ইতিহাসের সূচনা করেছে। এ পদযাত্রায় এক দিনের শিশু বাচ্চা থেকে শুরু করে শত বছরের বয়োবৃদ্ধকেও দেখা যাচ্ছে। যারা নিজেদের সব কিছুকে বিসর্জন দিয়ে এমন বিরল ভক্তি ও ভালবাসা নিয়ে এ ধর্মীয় পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করে নিজেদের অতুলনীয় ঈমান ও ধর্মীয় চেতনার পরিচয় দিচ্ছে।
৬১ হিজরীর আশুরার মর্মান্তিক ঘটনার প্রতি যদি আমরা একটু গভীরভাবে দৃষ্টিপাত করি তাহলে দেখা যাবে যে, ইমাম হুসাইন (আ.) নিজের আপনজনদের সাথে নিয়ে কারবালার মরুপ্রান্তরে আল্লাহর কোরআন ও ইসলামকে রক্ষার্থে অত্যন্ত হৃদয় বিদারকভাবে শাহাদত বরণ করেন। শুধু তাই নয় শাহাদতের পর তিনি তিনদিন পর্যন্ত বিনা কাফন ও দাফনে কারবালার জমিনে পড়ে থাকেন। আর তাই আজ এ মহান ইমামের চেহলুমে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ শিয়া মুসলমানরা কারবালাতে এসে নিজেদের ভক্তি ও শ্রদ্ধা নিবেদন করে থাকে।


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*

Arba'een
Mourining of Imam Hossein
Pesan Haji 2018 Ayatullah Al-Udzma Sayid Ali Khamenei
We are All Zakzaky