ল্যাং মারা সেই সংবাদকর্মীর সাজা

  • News Code : 804899
  • Source : Mzamin
Brief

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে হাঙ্গেরি-সার্বিয়ার রোসকি সীমান্তে দুই শিশুকে পেত্রার লাথি ও এক বৃদ্ধকে ল্যাং মারার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে হাঙ্গেরি-সার্বিয়ার রোসকি সীমান্তে দুই শিশুকে পেত্রার লাথি ও এক বৃদ্ধকে ল্যাং মারার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।
যুগান্তরের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনা: বছর দেড়েক আগে খবর সংগ্রহের মধ্যেই এক শরণার্থীকে লাথি ও ল্যাং মেরে সমালোচিত হওয়া হাঙ্গেরির এক নারী সংবাদ কর্মীকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। সেজেডে ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট শুক্রবার পেত্রা লাসলোর বিরুদ্ধে এ রায় দেন বলে জানায় বিবিসি।
২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে হাঙ্গেরি-সার্বিয়ার রোসকি সীমান্তে দুই শিশুকে পেত্রার লাথি ও এক বৃদ্ধকে ল্যাং মারার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। ওই সীমান্তে শরণার্থীদের ঢল ঠেকাতে পুলিশি তৎপরতার মধ্যে আরও অনেকের সঙ্গে খবর ও ছবি সংগ্রহের দায়িত্বে ছিলেন এ ক্যামেরা পারসন। আশ্রয়প্রার্থীরা এক পর্যায়ে পুলিশের বেষ্টনী ভেঙে বুদাপেস্টের দিকে ছুটতে শুরু করলে শিশু কোলে থাকা এক বৃদ্ধ হুড়াহুড়ির মধ্যে পেত্রা পাসলোর সামনে পড়ে যান।
ভিডিওতে দেখা যায়, ছুটতে থাকা শরণার্থীদের ছবি ধারণ করতে করতেই হঠাৎ দুই শিশুকে লাথি মারেন পেত্রা। পরে পা বাড়িয়ে ছুটন্ত ওই বৃদ্ধকে তিনি ফেলে দেন। পরে আবার সেই দৃশ্য ক্যামেরায় ধারণ করেন। এ সময় পড়ে যাওয়া বৃদ্ধকে পেত্রার সঙ্গে তর্ক করতে এবং শিশুটিকে কাঁদতে দেখা যায়।
শরণার্থীদের প্রতি এ অমানবিক আচরণের জন্য নিজের দেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ?্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন পেত্রা। ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যে ডানপন্থী টেলিভিশন চ্যানেল এনওয়ানটিভি থেকে চাকরিও হারান তিনি। বিবিসি জানিয়েছে, তিন বছরের সাজার সময় পেত্রাকে জেলে কাটাতে হবে না। তবে তাকে কিছু শর্ত মেনে নজরদারির মধ্যে থাকতে হবে। যদিও এর বিরুদ্ধে আপিলের ঘোষণা দিয়েছেন পেত্রা।


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*

conference-abu-talib
We are All Zakzaky