‘নিম্নমানের’ পাঠদানের অভিযোগে অক্সফোর্ডের বিরুদ্ধে মামলা

  • News Code : 807001
  • Source : Prothom-alo
Brief

শিক্ষাদানের উন্নত মানের গর্ব নিয়ে কয়েক শ বছর ধরে বিশ্বে মাথা উঁচু করে আছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়।

আবনা ডেস্ক: শিক্ষাদানের উন্নত মানের গর্ব নিয়ে কয়েক শ বছর ধরে বিশ্বে মাথা উঁচু করে আছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। সেই প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক শিক্ষার্থী। শুধু মামুলি প্রশ্ন তোলাই নয়, ‘খারাপ শিক্ষাদানের’ অভিযোগ তুলে আদালতে রীতিমতো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিয়েছেন তিনি।
ওই শিক্ষার্থীর নাম ফাইজ সিদ্দিকী। তাঁর অভিযোগ, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার মান ‘হতাশাজনক খারাপ’ ও ‘একঘেয়ে’। এ কারণে তিনি পরীক্ষায় দ্বিতীয় শ্রেণি পেয়েছেন। এ জন্য আইনজীবী হিসেবে পেশাজীবন শুরু করতে তাঁকে ঝামেলায় পড়তে হবে বলে মনে করছেন তিনি।
ফাইজ সিদ্দিকীর মামলাটি খারিজ করার আবেদন নিয়ে লন্ডনের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর আগে গত সপ্তাহে উচ্চ আদালতের বিচারপতি এক রায়ে অক্সফোর্ডকে তাদের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগের জবাব দিতে বলেন।
ফাইজ সিদ্দিকী অক্সফোর্ডের ব্রেজনোজ কলেজে আধুনিক ইতিহাস বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভারতীয় সাম্রাজ্যের ইতিহাসের কোর্সে শিক্ষক পাঠদানের সময় ‘যত্নহীন’ ছিলেন। এর কারণেই পরীক্ষায় তাঁর ফল খারাপ হয়। ফাইজ সিদ্দিকী মনে করেন, তিনি যদি খারাপ গ্রেড না পেতেন তাহলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক আইনজীবী হিসেবে পেশাজীবনে অত্যন্ত ভালো করতেন। তাই আইনি পথে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। আর তখনই (গত মাসে) বিষয়টি সামনে আসে।
ফাইজের আইনজীবী মাল্লালিউ দাবি করেন, আঠারো থেকে বিংশ শতাব্দীর দক্ষিণ ভারতের ইতিহাস বিষয়ের বিশেষজ্ঞ ডেভিড ওয়াশব্রুকের পাঠদান তাঁর মক্কেলের কাছে ছিল ‘একঘেয়ে’। এই মামলায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত সমালোচনা করা হয়নি দাবি করে এই আইনজীবী বলেন, ‘আমাদের প্রশ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে, এমনটা কেন হলো।’ এ মামলায় সবশেষ রায়ের বিরুদ্ধে এখনই কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষ।


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*

پیام امام خامنه ای به مسلمانان جهان به مناسبت حج 2016
We are All Zakzaky
telegram