$icon = $this->mediaurl($this->icon['mediaID']); $thumb = $this->mediaurl($this->icon['mediaID'],350,350); ?>

সাম্পাঙ্গ ক্রীড়া কমপ্লেক্সে অবস্থানরত শিয়াদের অবস্থার বিষয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ প্রকাশ

  • News Code : 407740
  • Source : Abna
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক পরিষদ, ইন্দোনেশিয়ার মাদুরা দ্বীপের শিয়াদের বিষয়ে উদ্বেগ্ন প্রকাশ করেছে। দীর্ঘ ৭ মাস পূর্বে উগ্রতাবাদী ওয়াহাবীরা এ সকল শিয়াদেরকে তাদের ভিটেমাটি ছাড়তে বাধ্য করে, বিতাড়িত শিয়ারা জীবন বাঁচানোর তাগিদে সাম্পাঙ্গ ক্রীড়া কমপ্লেক্সে আশ্রয় নিয়েছিল। বর্তমানে তারা মানবেতর অবস্থায় জীবন-যাপন করছে। এদিকে তাদের নিকট ঔষধ ও খাদ্য সরবরাহের বিষয়েও অবহেলা করছে সরকার।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট : ইন্দোনেশিয়ার মাদুরা দ্বীপ হতে উগ্র ওয়াহাবীদের হামলার মুখে এ অঞ্চলে বসবাসরত শিয়ারা বাঁচার তাগিদে ভিটেমাটি ছেড়ে আশ্রয় নেয় সাম্পাঙ্গ ক্রীড়া কমপ্লেক্সে। মানবেতর অবস্থায় জীবন-যাপনকারী শিয়াদের বিষয়ে উদ্বেগ্ন প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয় সংস্থা।

তারা দীর্ঘ ৭ মাস যাবত ঐ ক্রীড়া কমপ্লেক্সে বিভিন্ন কষ্টের মাঝে দিনাতিপাত করছে।

মাদুরা দ্বীপের শিয়াদের প্রায় ৬০টি পরিবার বর্তমানে সাম্পাঙ্গ ক্রীড়া কমপ্লেক্সে অবস্থান করছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ও খাদ্যাভাবে মানবেতর অবস্থায় দিন পার করছে তারা। একদিকে সরকার তাদের বিষয়ে অবহেলা করছে, অপরদিকে নিজেদের বসত-ভিটাতেও প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে তারা নিরাশ।

ঐ স্থানে আশ্রয় নেয়া শিয়াদেরকে অন্য শহরে ভ্রমনের উপর এবং কোথাও কাজ নেওয়ার উপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি তাদের জীবনের নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে তাদেরকে ঐ স্থান ত্যাগ করতে নিষেধ করা হয়েছে।

বলাবাহুল্য, ২০১২ সালের অক্টোবর মাসে শিয়ারা তাঙ্গ কারনাঙ্গ গ্রাম হতে অন্য এলাকায় যাওয়ার সময় সশস্ত্র ব্যক্তিরা তলোয়ারসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের উপর চড়াও হয়। এ হামলায় নারী ও শিশুদের রক্ষা করতে গিয়ে দুই ব্যক্তি নিহত হয়। হামলাকারীরা এ সময় বেশ কয়েকটি শিশুকে তাদের পিতা-মাতার কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে যায়।

এদিকে আশ্রয় গ্রহণকারী শিয়াদের খাদ্য ও চিকিত্সা সেবা প্রদানে অবহেলা করছে ইন্দোনেশিয়া সরকার এবং এ দ্বীপের শিয়াদের ভবিষ্যতের বিষয়েও কোন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না।

মাদুরা দ্বীপের শিয়ারা এতটাই সন্ত্রস্ত অবস্থায় জীবন-যাপন করছে যে, তারা বর্তমানে নিজেদের মাযহাবের কথা প্রকাশ করতেও ভয় পায় এবং অনেকে পূর্বেই এ অঞ্চল ছেড়ে গেছে।#