?>

ইমাম জাফর সাদিক (আ.) এর জীবনী

ইমাম জাফর সাদিক (আ.) এর জীবনী

আহলে সুন্নাতের হানাফি মাজহাবের ইমাম আবু হানিফা বলেছেন, "আমি জাফর ইবেন মুহাম্মাদ থেকে বড় কোনো ফকিহকে দেখিনি। যদি জাফর ইবনে মুহাম্মাদের সান্নিধ্যের ঐ দু’বছর না থাকত তবে নোমান তথা আবু হানিফা ধ্বংস হয়ে যেত।"

আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ানের শাসনামলে ৮২ হিজরির ১৭ই রবিউল আউয়ালে মদিনায় জন্ম গ্রহণ করেন ইমাম জাফর সাদিক (আ.)। সে সময় মুসলিম বিশ্বে চলছিল নিষ্ঠুর ও স্বৈরাচারী শাসকদের রাজত্ব। ইসলামী ভূখণ্ডের যে প্রান্তেই তাদের অপকর্মের প্রতিবাদ করা হত সেখানেই নিরীহ ও নিরপরাধ মানুষদের নির্দ্বিধায় হত্যা করা হত। ইসলামের প্রকৃত বাণী তুলে ধরাই ছিল এ সময় অত্যন্ত কঠিন কাজ।

 কিন্তু ইসলামের এই দুর্দিনে ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবন, সংরক্ষণ, বিকাশ এবং মুসলিম সমাজের সংস্কারের ক্ষেত্রে কাণ্ডারি হিসেবে আবির্ভূত হন বিশ্বনবী (সা.)'র পবিত্র আহলে বাইতের সদস্য ইমাম জাফর সাদিক (আ.)।

 ইমাম সাদিক (আ.) রিসালাতের কোলে তথা রাসূলের বংশ-ধারায় জন্ম নেন এবং বিশ্বনবী (সা.)'র আহলে বাইতের ঘরেই বেড়ে ওঠেন। তিনি নিজ দাদা ও বনি হাশিমের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি ইমাম আলী ইবনে হুসাইন তথা ইমাম জয়নুল আবেদিন (আ.) ও পিতা ইমাম মুহাম্মাদ বাকির (আ.)-এর মাধ্যমে প্রশিক্ষিত হন। তার মৃত্যুর পর ইমাম সাদিক (আ.) নিজ পিতা ইমাম বাকির (আ.)-এর তত্ত্বাবধানে উনিশ বছর শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং তার মৃত্যুর পর ইমামতের মহান দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

ইমাম সাদিক (আ.) এমন এক সমাজে বড় হন যেখানে মানুষ কেবল অত্যন্ত গোপনে ও সতর্কতা অবলম্বন করে বিশ্বনবী (সা.)'র আহলে বাইতের সাথে যোগাযোগ করতে পারত।

ইমাম সাদিক (আ.) যখন যুবক ছিলেন তখন সবচেয়ে বেশী যাদের ওপর দমন নিপীড়ন চালানো হতো তারা হল রাসূল (সা.)-এর আহলে বাইতের সমর্থক ও অনুসারীরা। আলী (আ.)-কে গালি দেয়া ছিল আহলে বাইতের শত্রুদের কাছে বিশেষ প্রিয়! আর এ বিষয়টি ছিল মহানবী (সা.)-এর আহলে বাইতের জন্য চরম মর্মবেদনার কারণ। ইমাম সাদিক (আ.) তার কৈশোর ও যৌবনে এ ঘটনা প্রবাহের সাক্ষী ছিলেন এবং তার বাবার কাছ থেকে এ ধরনের বাস্তবতাকে মোকাবিলার শিক্ষা পেয়েছিলেন।

পরিবেশ এতটা প্রতিকূল হওয়া সত্ত্বেও ইমাম সাদিক (আ.) সত্য বলতে কুণ্ঠিত হতেন না এবং মানুষকে সঠিক পথের দিক নির্দেশনা দান থেকে বিরত থাকতেন না। তিনি তাদেরকে সবসময় জালিম শাসককে সহযোগিতা করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিতেন, শাসকদের পক্ষ থেকে নিয়োজিত বিচারকদের শরণাপন্ন হতে নিষেধ করতেন এবং সরকারি যে কোনো পদ গ্রহণে নিরুৎসাহিত করতেন। ইমাম সাদিক (আ.)-এর সময় যাইদ ইবনে আলী (আ.) উমাইয়া শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন। যখন যাইদ শহীদ হন তিনি প্রকাশ্যে তার প্রশংসা ও তার হত্যাকারীদের লানত করেন। যাইদ ইবনে আলীকে হত্যার পর হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক হযরত আলী (আ.)-এর বংশধরদের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করতে থাকে। পক্ষান্তরে তিনি ধৈর্য ধারণ করতে থাকেন।

বনি উমাইয়ার শক্তির ভিত দুর্বল হওয়া এবং অন্যরা পর্যাপ্ত শক্তি ও ক্ষমতার অধিকারী না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী এ সময়কে ইমাম সাদিক (আ.)-এর জন্য সুবর্ণ এক সুযোগ এনে দেয়। ইমাম এ বিষয়টি পূর্ণরূপে অনুভব করে তীব্র কষ্ট পেতেন যে, দীর্ঘ দিনের বিচ্যুতি ও অনাচার ইসলামকে এতটাই বদলে দিয়েছে যে তা অন্তঃসারশূন্য ও আচারসর্বস্ব এক ধর্মে পরিণত হয়েছে। এ কারণে তিনি মানুষকে হেদায়াত এবং ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা ও বিধিবিধান প্রচারের লক্ষ্যে তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দ্বার উন্মোচন করে দেন।

এ সময়ে ইমাম সাদিক (আ.)-এর ঘর ছিল একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মত যেখানে বড় বড় মনীষীরা তার কাছে হাদিস, তাফসির, দর্শন, কালাম, ফিকাহ, কারায়াত, তিব্ব তথা চিকিৎসা, জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত ইত্যাদি শাস্ত্র শিখতেন। তার ছাত্রদের সংখ্যা ঐতিহাসিকরা ৪ হাজারেরও বেশী বলে উল্লেখ করেছেন। জ্ঞান পিপাসুরা তার কাছ থেকে শেখার জন্য দূর দূরান্ত থেকে মদীনায় আসত।

ফিকাহ শাস্ত্র ও হাদিস বিষয়ক জ্ঞানের বিশিষ্ট ও প্রসিদ্ধ ব্যক্তিদের অনেকেই তার কাছে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। যেমন, আবু হানিফা, মালিক ইবনে আনাস, সুফিয়ান সওরী,ইয়াহিয়া ইবনে সাঈদ আনসারী, ইবনে জারিহ, ইবনে উয়াইনা, শোবা, আইয়ুব সাজেস্তানি প্রমুখ। তারা সবাই ইমাম সাদিক (আ.)-এর ছাত্র হওয়ার কারণে গর্ব করতেন।

হাদিস শাস্ত্রে ইমামের অবস্থান এত উচ্চে ছিল যে, যে কোন হাদিসের বর্ণনায় তার নামের উল্লেখই ঐ হাদিসটির বিশুদ্ধতার প্রমাণ বলে বিবেচিত হত। কিন্তু মানসুরের সময় ইমাম সাদিক (আ.)-এর সামনে বিভিন্ন সমস্যা উদ্ভূত হওয়ায় পূর্বের অবস্থার অবনতি ঘটে। ইমাম সাদিক (আ.)-এর সামাজিক মর্যাদা ও জনসাধারণের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তার বিষয়টি মানসুরের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর ছিল। সে ইমামকেই তার সবচেয়ে বড় শত্রু বলে মনে করত।

সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ও ইসলামী ভূখণ্ডগুলোতে ইমাম জাফর আস সাদিক (আ.)’র ইমামতের প্রভাব ও সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ায় ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল আব্বাসিয় জালিম শাসক মনসুর দাওয়ানিকি। দাওয়ানিকি বলেছিল

"জাফর ইবনে মুহাম্মাদ যদিও তরবারি দিয়ে সংগ্রাম করছে না, কিন্তু তার পদক্ষেপগুলো আমার কাছে একটি অভ্যুত্থানের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ এবং কঠিন বলে মনে হয়।"

অবশেষে দাওয়ানিকির নির্দেশে (১৪৭ বা ১৪৮ হিজরির ২৫ শে শাওয়াল) বিষ প্রয়োগ করে শহীদ করা হয় ইসলামের এই চির-প্রদীপ্ত সূর্য ইমাম জাফর আস সাদিক (আ.) কে। কিন্তু শাহাদাতের পর ইমামের নুরানি ব্যক্তিত্বের ঔজ্জ্বল্য বরং বহুগুণ বেড়ে যায়। ৬৫ বছর বয়স্ক ইমামের লাশ দাফন করার সময় ইমাম-প্রেমিক আবু হুরাইরা আজালি নিজেকে বলছিলেন, "তুমি কি জানো কোন মহামানবের লাশ নিয়ে যাচ্ছ মাটি দিতে? তার আগে ও পরে যদি ইমাম না থাকত তাহলে অবশ্যই বলতাম, কাল কিয়ামত পর্যন্ত এ পৃথিবী এমন মহামানব তৈরিতে অপারগ। "

আহলে সুন্নাতের মালিকি মাজহাবের প্রতিষ্ঠাতা মালিক ইবনে আনাস বলেছেন, "এক সময় আমি জাফর ইবনে মুহাম্মাদের কাছে যাওয়া-আসা করতাম। যখনই আমি তার সাক্ষাতে যেতাম তখন আমি তাকে এ তিন অবস্থার যে কোনো এক অবস্থায় পেতাম, “তিনি নামাজ পড়ছেন অথবা রোজা রেখেছেন অথবা কুরআন তিলাওয়াত করছেন।”  জ্ঞান, ইবাদত ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে জাফর ইবনে মুহাম্মাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোনো ব্যক্তিকে কোনো চোখই দেখেনি, কোনো কানই শোনেনি এবং কোনো মানুষই কল্পনা করেনি।"

আহলে সুন্নাতের হানাফি মাজহাবের ইমাম আবু হানিফা বলেছেন, "আমি জাফর ইবেন মুহাম্মাদ থেকে বড় কোনো ফকিহকে দেখিনি। যদি জাফর ইবনে মুহাম্মাদের সান্নিধ্যের ঐ দু’বছর না থাকত তবে নোমান তথা আবু হানিফা ধ্বংস হয়ে যেত।"

ইমাম জাফর সাদিক (আ.) থেকে অসংখ্য কারামাত বা অলৌকিক ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। এমনএকটি ঘটনা হল - একবার এক ব্যক্তি খলিফা মানসূরের কাছে তার সম্পর্কে মিথ্যা রটনা করল যে, ইমাম সাদিক মানসূরের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। অতঃপর মানসুর যখন হজে এল যে ব্যক্তি অপবাদ দিয়েছিল তাকে ডেকে পাঠাল এবং জাফর সাদিকের সামনে তাকে বলল, তুমি যা বলেছিলে তা সত্য প্রমাণের জন্য আল্লাহর নামে কসম করতে রাজি আছ? সে বলল, হ্যাঁ। ইমাম জাফর সাদিক মানসুরকে বললেন, ঠিক আছে, সে যা দাবি করছে সে অনুযায়ী তাকে কসম করতে বল। মানসুর তাকে বলল, তার সামনে কসম কর। জাফর সাদিক ঐ ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে বললেন এভাবে কসম কর, ‘আল্লাহর শক্তি ও ক্ষমতা থেকে আমি বিচ্ছিন্ন হই এবং আমার শক্তি ও ক্ষমতার আশ্রয় চাই। সত্যিই জাফর এমন বলেছেন ও এমন করেছেন।’ ঐ ব্যক্তি প্রথমে এরূপে কসম করতে রাজী হল না। পরে তা করলো। তার কসম খাওয়া সমাপ্ত হওয়ামাত্রই ঐ লোকটি মানসূরের সামনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল।

অন্য একটি ঘটনা এরূপ বর্ণিত হয়েছে যে, এক জালেম ব্যক্তি তার দাসকে হত্যা করে। তিনি ভোর রাত্রিতে নামাজ পড়ে তার প্রতি অভিশাপ বর্ষণ করেন। তিনি এরূপ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই ঐ জালেম ব্যক্তির মৃত্যুর কারণে তার ঘর থেকে কান্নার ধ্বনি শোনা গেল।

 বর্ণিত হয়েছে, যখন তার কাছে এ সংবাদ পৌঁছল যে, হাকাম ইবনে আব্বাস কালবি ইমামের চাচা যাইদ ইবনে আলী সম্পর্কে এ কবিতাটি ব্যঙ্গ করে পাঠ করেছে, আপনাদের কারণেই আমরা যাইদকে খেজুর গাছে ঝুলিয়ে হত্যা করেছি। আমরা কখনও দেখিনি কোনো সৎপথপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে খেজুর গাছের কাণ্ডে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। তখন ইমাম তাকে অভিশাপ দিয়ে বললেন, হে আল্লাহ আপনার কুকুরগুলো থেকে একটি কুকুরকে তার ওপর প্রবল করে দিন। কিছুদিন অতিবাহিত না হতেই একটি সিংহ তাকে ছিন্ন ভিন্ন করে খেয়ে ফেলে।

একবার মানসুর ইমামকে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিল এ উদ্দেশ্যে যেন তাঁর ওপর এই অজুহাতে কঠোরতা আরোপ করা যায়। এ লক্ষ্যে ইবনে মুহাজিরকে ডেকে বলল, এ অর্থ নিয়ে মদীনায় যাও। আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান, জাফর ইবনে মুহাম্মাদ ও তাদের পরিবারবর্গের কাছে গিয়ে বলল, আমি খোরাসান থেকে মদীনায় এসেছি। এখানে আমি অপরিচিত। আর আমি আপনাদের এক অনুসারী। খোরাসানের লোকেরা এ অর্থ আপনাদের জন্য পাঠিয়েছেন। এরপর তাদের প্রত্যেককে আমি যেভাবে নির্ধারণ করেছি সেভাবে অর্থ দান কর। কিন্তু দেয়ার সময় শর্ত করবে যে, যেহেতু আমি অন্যদের প্রেরিত সেহেতু অনুরোধ হল যে পরিমাণ অর্থ আপনি গ্রহণ করলেন তা একটি কাগজে লিখে দিন। ইবনে মুহাজির মদীনায় গিয়ে তার দায়িত্ব সম্পন্ন করে ফিরে আসলে মানসুর তাকে জিজ্ঞেস করল, তুমি কি করে এসেছো তার বর্ণনা দাও। ইবনে মুহাজির বলল, তাদের কাছে গিয়েছি এবং তাদের নির্ধারিত অর্থ দিয়ে লিখিত রসিদ নিয়ে এসেছি। কিন্তু জাফর ইবনে মুহাম্মাদ তা গ্রহণ করেননি। যখন আমি তার কাছে যাই তখন তিনি মসজিদুন্নবীতে নামাজ পড়ছিলেন। আমি তার পেছনে গিয়ে বসলাম। মনে মনে ভাবলাম, যখন তিনি নামাজ শেষ করবেন তখন আমার কথা তাকে বলব। তিনি নামাজ শেষ করা মাত্রই আমার দিকে ঘুরে বললেন- হে লোক, আল্লাহকে ভয় কর এবং মুহাম্মাদ (সা.)-এর আহলে বাইতের সাথে প্রতারণার চেষ্টা কর না। আর তোমার বন্ধুকেও (মানসুর) যেয়ে বল, সেও যেন আল্লাহকে ভয় করে এবং মুহাম্মাদ (সা.)-এর আহলে বাইতের সাথে যেন প্রতারণার চেষ্টা না করে। তাদের (বনি আব্বাস) সাথে বনি উমাইয়ার কোনো পার্থক্য নেই। তারা উভয়েই অভাবী। আমি হতচকিত হয়ে বললাম, ‘আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন। আমি আপনার উদ্দেশ্য বুঝতে পারিনি।’ তিনি বললেন, আমার আরও কাছে এস। আমি তার কাছে গেলে তিনি আমার ও তোমার মধ্যে যা কথোপকথন হয়েছিল তা হুবহু বর্ণনা করলেন যেন তিনি আমাদের সঙ্গে তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মানসুর একথা শুনে বলল ইবনে মুহাজির, নিঃসন্দেহে আল্লাহর রাসূলের আহলে বাইতের মধ্যে একজন অবশ্যই মুহাদ্দাস রয়েছে যার কাছে ইলহাম বা গায়েবীভাবে খবর হয়। নিশ্চয়ই বর্তমানে জাফর ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের মধ্যকার সেই ব্যক্তি।

ইমাম জাফর আস সাদিক (আ.)’র কয়েকটি অমূল্য বাণী হলো- যারা নামাজকে গুরুত্বহীন মনে করবে আমাদের তথা বিশ্বনবী (সা.)’র আহলে বাইতের শাফায়াত তাদের ভাগ্যে জুটবে না।

কোনো বান্দাই পরিপূর্ণভাবে প্রকৃত ঈমানে পৌঁছাতে পারবে না যতক্ষণ না তাদের মধ্যে এই তিনটি বৈশিষ্ট্য অর্জিত হবে- পুরোপুরি ধর্মকে বুঝতে পারা, সঠিক পদ্ধতিতে জীবন যাপন করা এবং দুঃখ-কষ্টে ধৈর্য ধারণ করা।

তিনটি বিষয়ের পরিচয় পাওয়া যায় এ তিন ক্ষেত্রে- রাগের মুহূর্তে ধৈর্যের পরিচয়, যুদ্ধের সময় বীরত্বের পরিচয় ও অভাবের সময় ভাইয়ের পরিচয়।

ইসলামি আকাশের জ্বলজ্বলে এ নক্ষত্র ১৪৮ হিজরির ২৫ শাওয়াল মনসুর দাওয়ানেকির প্রদত্ত বিষে শাহাদত বরণ করেন। মহান আল্লাহ্ আমাদেরকে তার প্রকৃত অনুসারী হওয়ার তৌফিক দান করুন।#


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*