?>

ইরান ও সিরিয়াই লেবাননের প্রকৃত বন্ধু : নাসরুল্লাহ

ইরান ও সিরিয়াই লেবাননের প্রকৃত বন্ধু : নাসরুল্লাহ

যদি কেউ মনে করে ইয়েমেনের যুদ্ধে হিজবুল্লাহ নেতৃত্ব দিচ্ছে, সে চরম ভুলের মধ্যে রয়েছে। এ যুদ্ধের সবকিছুই ইয়েমেনিদের কাজ এবং মহান আল্লাহর সাহায্য... আলে সৌদের সমস্যা হচ্ছে তাদের দম্ভ ও অহংকার... তাদের এটা বিশ্বাসই হয় না যে, ইয়েমেনিরাও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করেছে... আমি আন্তরিকতার সাথে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, সত্যিই যদি ইয়েমেন সংকটের সমাধান করতে চায়, (তাহলে বুঝতে হবে) লেবানন ও অন্যান্য দেশের উপর চাপ সৃষ্টি করার মাঝে এর সমাধান নেই। যুদ্ধবিরতী ঘোষণা এবং ইয়েমেনের অবরোধ প্রত্যাহার করাই এর জন্য যথেষ্ঠ... এর বিকল্প কোন রাস্তা নেই... এবং মার্কিনীরা বা জাতিসংঘ ইয়েমেনে যা ঘটছে তাতে পরিবর্তন আনতে পারবে না।

হলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): লেবাননের হিজবুল্লাহ বাহিনীর প্রধান এ বাহিনীর শহীদ দিবস উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) প্রদত্ত ভাষণে লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতি এবং দেশটির জন্য সৌদি আরব যে বিপর্যয়ের সৃষ্টি করেছে তা পর্যালোচনা করেছেন।

হিজবুল্লাহর শহীদ দিবস

ভাষণের শুরুতে তিনি বলেন: আজকের এ দিনটি সকল শহীদদের এবং সকল শহীদ পরিবারের জন্য। এ মহান ও পবিত্র দিবসকে হিজবুল্লাহ্ বাহিনী ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে নামকরণ ও নির্ধারণ করেছে; যাতে এ দিনটি সকল শহীদের দিবস হিসেবে গণ্য হয়।

বাস্তবতা হল, শহীদগণ সুউচ্চ মাকামের অধিকারী। শহীদগণ আমাদের অত্যন্ত প্রিয়। ইসলামের প্রতি ঈমানের ভিত্তিতে এবং পবিত্র কুরআনের শিক্ষানুযায়ী আমরা শহীদদেরকে শ্রদ্ধা করি, তাদেরকে সম্মান দেই এবং তাদের গুরুত্ব বুঝি। তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন মূলতঃ নবিগণ (আ.)-এর সিরাতের অনুসরণ।

হিজবুল্লাহ্ এ দিবসকে শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে যাতে এ দিনটি সকল শহীদের দিন হয়... আজ সকল শহীদের শাহাদাত বার্ষিকী... আর এ কারণে হিজবুল্লাহ’র শহীদদের পরিবারগুলো এ দিনটিকে নিজেদের শহীদদের শাহাদাত দিবস হিসেবে মনে করে।

শহীদ দিবস মূলতঃ লেবানিজ শহীদ ‘আহমাদ কাসিরে’র শাহাদাতের দিন। যেদিন তিনি জায়নবাদী ইসরাইলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে জায়নবাদী ১০০ সেনা কর্মকর্তা ও সৈন্যকে জাহান্নামে পাঠিয়েছিলেন। শহীদগণ আমাদের আত্মা, আধ্যাত্মিকতা ও আবেগের সম্পদ; আমরা শহীদদেরকে ভালবাসি। শহীদ কাসীর যে হামলা চালিয়েছিল ভবিষ্যতে তারচেয়েও বড় অভিযান আমরা দেখতে পাব বলে আমরা আশাবাদী।

শহীদদের অর্জন

দামেস্কের সাথে সম্পর্ক পূনঃস্থাপনের লক্ষ্যে কয়েকটি আরব দেশের পদক্ষেপ প্রসঙ্গে হিজবুল্লাহ প্রধান বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে কিছু কিছু গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রচারিত হচ্ছে যে, কয়েকটি আরব দেশের প্রধান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধি সিরিয়া সফর করেছেন -এর সবই শহীদদের অর্জন। (আরব দেশগুলোর পক্ষ থেকে গৃহীত) এ সকল পদক্ষেপ সিরিয়াতে সন্ত্রাসী পরিকল্পনার পরাজয়েরই ইঙ্গিত। শহীদদের অপর অর্জনটি হল শত্রুদের করায়ত্ত থেকে দেশকে বাঁচিয়ে রাখা।

কারদাহীর মন্তব্য পরে বুঝেছে সৌদি আরব

লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতি এবং দেশটির জন্য সৌদি আরব যে বিপর্যয়ের সৃষ্টি করেছে তা পর্যালোচনা করে তিনি বলেন: কারদাহি, মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব গ্রহণের আগে একটি বিষয়ে মন্তব্য করেছিলেন যা কারও প্রতি অবমাননাকর ছিল না। তা সত্ত্বেও সৌদি আরব এ বিপর্যয় ও সমস্যার সৃষ্টির করেছে। হয়তবা সৌদিরা প্রথমে তার কথা বুঝতে পারেনি এবং পরবর্তীতে বুঝতে পারায় তাদের অসন্তুষ্টি ও ক্রোধের কারণ হয়েছে, আর তাই তারা কারদাহি’র পদত্যাগ দাবী করছে।

কারদাহির মন্তব্যের বিপরীতে সৌদি আরবের প্রতিক্রিয়া বাড়াবাড়ি এবং বোধগম্যহীন। ‘ইয়েমেনের আগ্রাসন ফলাফলহীন ও বৃথা’ শীর্ষক কারদাহি’র মন্তব্যের পূর্বেও এ ধরনের মন্তব্য বহুবার ব্যক্ত হয়েছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রেও এ ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিবও এমন মন্তব্য করেছেন। অথচ তখন সৌদি আরব কোন প্রতিক্রিয়া দেখায় নি।

দ্বিতীয় বিষয়টি হল, হয়তবা সৌদি আরব নিজেকে লেবাননের বন্ধু হিসেবে জানে, এক্ষেত্রে প্রশ্ন হল, কোন্ বন্ধু তার বন্ধুর সাথে কি এমন আচরণ করে? হিজবুল্লাহর সাথে যদি সৌদি আরবের সমস্যা থেকে থাকে, তারা লেবাননের রাষ্ট্রদূতকে কেন বহিস্কার করে।

আজ যদি কোন মন্ত্রী পদত্যাগ করে, তবে আগামীকাল সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে এটা কি কোন দেশের জন্য সম্মানজনক? লেবাননে সৌদিদের দাবী কখনও শেষ হবে না। লেবাননে আমাদের জাতীয় স্বার্থ কি বিদেশীদের দাবী পূরণের সম্মতি জানানোর মাঝেই নিহিত? তারা লেবাননকে হেয়-প্রতিপন্ন করতে চায়।

লেবাননের প্রকৃত বন্ধু

তিনি বলেন: বিগত ১৬ বছরে লেবাননের রাজনীতিবিদরা সিরিয়ার সাথে কিরূপ আচরণ করেছে (তা সবার জানা), কিন্তু যখনই মিসর ও জর্ডান হয়ে সিরিয়াতে এবং সেখান থেকে লেবাননে গ্যাস আমদানির বিষয়টি উত্থাপিত হল, সিরিয়রা প্রস্তাবে সম্মতি দিল; তারা না গালমন্দ করেছে না বলেছে যে, তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছ, তারাই হল আমাদের প্রকৃত বন্ধু।

আরও একটি উদাহরণ হল ইরান; লেবাননে ইরানের বিরুদ্ধে কত কথাই না বলা হয়েছে। কিন্তু ইসলামি প্রজাতন্ত্র সবসময় এ কথা ঘোষণা দিয়েছে যে, ‘লেবাননের দিকে আমাদের সহযোগিতার হাত সবসময়ই খোলা’।

লেবাননে গৃহযুদ্ধ সৌদি আরবের অন্তরের চাওয়া

সৌদি আরব যে বিপর্যয়ের জন্ম দিয়েছে তা প্রতিরোধ আন্দোলনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অংশবিশেষ। বহুবছর আগ থেকে তথা ২০০৬ সাল থেকে সৌদিরা প্রতিরোধ আন্দোলনের বিরুদ্ধে এ যুদ্ধ শুরু করেছে। তামমুজের যুদ্ধ (৩৩ দিনের যুদ্ধ) চলাকালীন সময়ে সৌদি আরবের উস্কানিমূলক পদক্ষেপের কথা আমরা এখনও ভুলিনি। ঐ কঠিন মুহূর্তে সৌদি আরব লেবাননের অভ্যন্তরে থাকা নিজের সমর্থকদেরকে গৃহযুদ্ধ বাঁধানোর আহবান জানিয়েছিল। এই গৃহযুদ্ধের আহবান ছিল সৌদি আরবের একান্ত চাওয়া। সৌদি আরব নয় বরং ইরান ও সিরিয়াই লেবাননের প্রকৃত বন্ধু।

আমেরিকা ও ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষার জন্যেই সৌদি আরব লেবাননে তাদের সমর্থক ও শুভাকাঙ্খীদেরকে যেকোন মূল্যে গৃহযুদ্ধ বাঁধানোর আহবান জানিয়েছিল। লেবাননের সকল নাগরিক ভালভাবেই জানে যে, লেবাননের উপর হিজবুল্লাহর আধিপত্যের বিষয়ে সৌদি আরবের দাবী অসত্য। আমরা এটা অস্বীকার করি না যে, আমরা উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন এবং লেবাননের বৃহৎ রাজনৈতিক দলগুলোর একটি, কিন্তু লেবাননের উপর আধিপত্য রাখতে চাই, এ কথা সঠিক নয়।

লেবাননে এমন অনেক দল ও মুভমেন্ট রয়েছে আমাদের তুলনায় তাদের শক্তি কম হলেও তারা সরকার এবং বিচার বিভাগে উচ্চতর ক্ষমতার অধিকারী। লেবাননের উপর হিজবুল্লাহর আধিপত্যের বিষয়ে সৌদি আরবের দাবী নিছক মিথ্যা ও অপবাদ বৈ কিছুই নয়। যদি তাদের কথা সত্য হত তাহলে একটি রাজনৈতিক মামলার (দূর্নীতিতে জড়িত) বিচারকের (তারেক বিতার) পদত্যাগের দাবী আমরা কেন জানাতে পারি না? যদি সত্যিই লেবাননে আমাদের আধিপত্য থেকে থাকে তাহলে কেন আমরা তেলবাহী জাহাজগুলো সরাসরি লেবানন বন্দরে এনে ভেড়াই না?

ইয়েমেনে ইস্যুতে সৌদি আরবের সমস্যা কোথায়?

হিজবুল্লাহ প্রধান বলেন: ইয়েমেন ইস্যুতে সৌদি আরবের মূল সমস্যা হল মাআরিব এবং এ দেশে যে পরাজয়ের মুখোমুখি তারা হয়েছে। মার্কিনীরাই মন্তব্য করছে যে, মাআরিবের পতন সৌদি আরবের জন্য এক ধ্বংসাত্মক পরাজয়...। বিগত ৭ বছরে সৌদি আরব বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে... বলা হয়েছে যে, বাগদাদে অনুষ্ঠিত সৌদি-ইরান বৈঠকে সৌদি আরবকে বলা হয়েছে ‘হিজবুল্লাহ ও হাসান নাসরুল্লাহর কাছে যাও’। এ ধরণের কোন কথাই দুপক্ষের মাঝে আলোচিত হয় নি এবং লেবাননের নামও সেখানে নেয়া হয় নি।

সৌদি আরবকে ইরান বলেছে যে, ইয়েমেনের জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে তারা আলোচনায় বসবে না –এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন: যদি কেউ মনে করে ইয়েমেনের যুদ্ধ হিজবুল্লাহ নেতৃত্ব দিচ্ছে, সে চরম ভুলের মধ্যে রয়েছে। এ যুদ্ধের সবকিছুই ইয়েমেনিদের কাজ এবং মহান আল্লাহর সাহায্য... আলে সৌদের সমস্যা হচ্ছে তাদের দম্ভ ও অহংকার... তাদের এটা বিশ্বাসই হয় না যে, ইয়েমেনিরাও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করেছে... আমি আন্তরিকতার সাথে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, সত্যিই যদি ইয়েমেন সংকটের সমাধান করতে চায়, (তাহলে বুঝতে হবে) লেবানন ও অন্যান্য দেশের উপর চাপ সৃষ্টি করার মাঝে এর সমাধান নেই। যুদ্ধবিরতী ঘোষণা এবং ইয়েমেনের অবরোধ প্রত্যাহার করাই এর জন্য যথেষ্ঠ... এর বিকল্প কোন রাস্তা নেই... এবং মার্কিনীরা বা জাতিসংঘ ইয়েমেনে যা ঘটছে তাতে পরিবর্তন আনতে পারবে না।

পূর্ণগ্রাসের পথ রুখে দিয়েছি

তিনি বলেন: হিজবুল্লাহ এখনো লেবাননকে পরিপূর্ণরূপে মার্কিনীদের প্রভাব ও আধিপত্য থেকে পরিত্রাণ দিতে পারে নি। লেবানন এখনো মার্কিনীদের অনুপ্রবেশ ও প্রভাব থেকে বের হতে পারে নি। তবে এ প্রভাব বিস্তার ও আধিপত্য পূর্ণরূপে নয়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের আধিপত্য রয়েছে... কিন্তু আমরা মার্কিনীদের পূর্ণ গ্রাসের পথ রুদ্ধ করেছি... আর এ কারণেই লেবানন নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখেছে। এ কাজের জন্য শুধু রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন।

পরবর্তী যুদ্ধের বিষয়ে শঙ্কিত ইসরাইল

সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেন: বর্তমানে শত্রু ইসরাইল উদ্বিগ্ন। ইসরাইল প্রতিদিনই মহড়ার আয়োজন করছে, কেননা তারা লেবানন থেকে উদ্বিগ্ন। লেবাননের একটি মর্টারশেলকে ইসরাইল ভয় পায় না, বরং এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন যে, আগামী যুদ্ধে দখলকৃত অঞ্চলের কিছু অংশ লেবাননের দখলে চলে যাবে। তারা বর্তমানে শহর অভ্যন্তরে মহড়া চালাচ্ছে। কারণ পরবর্তী যুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনের যোদ্ধারা আল-জালিলে প্রবেশ করবে বলে তারা শঙ্কিত। হিজবুল্লাহ ও প্রতিরোধ আন্দোলনের শক্তি ও কথার উপর পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে ইসরাইলের, আর এরই ভিত্তিতে তারা আচরণ করছে।

কয়েকটি আরব দেশের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার মাধ্যমে ইসরাইল নিঃশ্বাস নেয়ার চেষ্টা করছে... যে  দেশই ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করুক না কেন তাদের কেউই ইসরাইলকে নিরাপত্তা দিতে সক্ষম নয়।

‘সোর্ড অব কুদস’ অভিযানের পর জায়নবাদী ইসরাইল নিজের অস্তিত্ব নিয়ে শঙ্কিত। তারা প্রতিরোধ আন্দোলন অক্ষের শক্তি বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বিগ্ন... কিন্তু লেবাননের ভেতরে কেউ কেউ প্রতিরোধ আন্দোলনের দূর্বলতা নিয়ে কথা বলে... অবশ্য পরিসংখ্যান অন্য কিছু বলছে... এ কারণেই (বুঝতে হবে যে,) ফিলিস্তিনী বন্দীদের উপর প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকা নৃশংসতা ইসরাইলের শক্তির নিদর্শন নয় বরং তাদের ভয় ও উদ্বেগের প্রকাশ... আর এর সবকিছুই শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে।

হিজবুল্লাহ প্রধান তার বক্তব্যের শেষাংশে বলেন: কেউ কেউ বলছেন, আমরা বৈরুতের ভয়াবহ বিস্ফোরণ এবং আল-তুয়ুনাহ ইস্যুতে লেনদেন করেছি, অথচ এ ধরণের ধারণা সঠিক নয়। বৈরুত বিস্ফোরণের ঘটনায় আমরা প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের দাবী (প্রথম থেকেই) জানিয়ে এসেছি। খালদাহ’র ঘটনাতেও আমরা সর্বদা ঐ এলাকা শান্ত থাকার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছি। যারা খালদাহ এবং আল-তুয়ুনাহ’তে আমাদের ভাইদেরকে হত্যা করেছে তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।#176


সম্পর্কিত প্রবন্ধসমূহ

আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*