মিয়ানমারের সেই পুলিশ কারাগারে

মিয়ানমারের সেই পুলিশ কারাগারে

টাইম ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, পুলিশের ওই কর্মকর্তার নাম হলো ক্যাপ্টেন মোই ইওন নাইং।

আবনা ডেস্কঃ রয়টার্সের দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে পুলিশি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে মিয়ানমারের এক পুলিশ কর্মকর্তাকে কারাগারের পাঠানো হয়েছে। পুলিশের এক মুখপাত্র গত রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
টাইম ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, পুলিশের ওই কর্মকর্তার নাম হলো ক্যাপ্টেন মোই ইওন নাইং। তিনি ২০ এপ্রিল আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আদালতে তিনি বলেন, গত বছরের ডিসেম্বরে দুজন সাংবাদিককে ফাঁদে ফেলার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন জ্যেষ্ঠ একজন কর্মকর্তা।
মোই ইওন নাইং বলেন, কর্মকর্তারা তাঁকে বলেছিলেন, তিনি যেন ইয়াঙ্গুনের একটি রেস্তোরাঁয় সাংবাদিক ওয়া লোনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁকে কিছু গোপন দলিলপত্র দেন। আদালতে তিনি বলেন, এরপর ১২ ডিসেম্বর রাত থেকে তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছিল। ওই রাতেই রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ জন্য তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানুয়ারি থেকে মামলার শুনানি চলছিল ইয়াঙ্গুনের একটি আদালতে। এ শুনানির ওপর ভিত্তি করে আদালতের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা, সাংবাদিক ওয়া লোন ও তাঁর সহযোগী কাইওয়া সোয়ের বিরুদ্ধে গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হবে কি না। এ অভিযোগে তাঁদের অভিযুক্ত করা হলে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে ১৪ বছরের জেল। রাখাইনের পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি গ্রামে ১০ জন রোহিঙ্গা মুসলিমকে হত্যা করা হয়। তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান করছিলেন রয়টার্সের ওই দুই সাংবাদিক। এ সময়ই তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই ১০ রোহিঙ্গাকে হত্যার জন্য মিয়ানমারের ৭ সেনাসদস্যের প্রত্যেককে ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এখন কারাগারে আছেন।
মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ধর্ষণ, হত্যা, নির্যাতনের পর রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গারা পালিয়ে বাংলাদেশে আসে। পালিয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ১০ লাখের বেশি।


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*

پیام رهبر انقلاب به مسلمانان جهان به مناسبت حج 1440 / 2019
conference-abu-talib
We are All Zakzaky