‘ঢাকা ঘোষণা’র মাধ্যমে আইপিইউ সম্মেলন সমাপ্ত

‘ঢাকা ঘোষণা’র মাধ্যমে আইপিইউ সম্মেলন সমাপ্ত

পাঁচদিনব্যাপী আইপিইউ সম্মেলনের শেষ দিন আজ বুধবার আইপিউ’র সাধারণ অ্যাসেম্বলিতে ‘ঢাকা ঘোষণা’ সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করা হয়।

আবনা ডেস্ক: পাঁচদিনব্যাপী আইপিইউ সম্মেলনের শেষ দিন আজ বুধবার আইপিউ’র সাধারণ অ্যাসেম্বলিতে ‘ঢাকা ঘোষণা’ সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করা হয়। বৈষম্য কমাতে আইনি কাঠামোকে শক্তিশালী করা, প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, পার্লামেন্টকে আরও প্রতিনিধিত্বশীল করা, সকলের জন্য অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত, সামাজিক সংলাপ ও মানব সম্পদ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ঢাকা ঘোষণা’র মধ্য দিয়ে পর্দা নামলো ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) ১৩৬তম সম্মেলন।
আইপিউ’র সাধারণ অ্যাসেম্বলি শেষে প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, “এখান থেকে যেসব প্রতিনিধি ফেরত গেছেন, তারা এখন নিজ নিজ দেশে গিয়ে ‘ঢাকা ঘোষণা’ বাস্তবায়নে নিজেদের পার্লামেন্টকে অন্তর্ভুক্ত করবেন।”
‘ঢাকা ঘোষণা’য় বলা হয়েছে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বৈষম্য কমাতে, মানবাধিকার সুরক্ষায়, আইনি কাঠামো শক্তিশালী এবং বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
সকলের সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্থান হিসেবে আইনসভাকে শক্তিশালী করতে হবে। সকল জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হবে। রাজস্ব আহরণের আইনি কাঠামো শক্তিশালী করা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের প্রণোদনা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে ঘোষণায়। এতে শ্রমিক অধিকার নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।
ঘোষণায় বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী সম্পদ বৈষম্য বেড়ে যাওয়ায় আইপিইউ গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে। আইপিইউ বলেছে, বিশ্বের বর্ধনশীল তরুণ প্রজন্ম বেকারত্ব, সম্পদহীনতা, এবং স্বল্প মজুরিসহ নানা সমস্যায় ভুগছে। বৈষম্য কমাতে আইপিইউ এসব বিষয়ের সমাধানে সদস্যভুক্ত দেশগুলোর উদ্যোগ আশা করছে।
এছাড়াও সেবা, কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে অল্প কিছু বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের বাজারে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের উদ্যোগ কমে আসায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই সংসদীয় ফোরামটি উদ্বেগ জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে এবারই প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এতবড় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। বিশ্বের ১৩৪টি দেশ এই সম্মেলনে অংশ নেয়। সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিলো, ‘রিড্রেসিং ইনইকুয়ালিটিজ: ডেলিভারিং অন ডিগনিটি অ্যান্ড ওয়েল বিং ফর অল।’
আইপিউ’র বিভিন্ন কমিটিতে বেশ কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল, কোনও দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আরেক দেশের হস্তক্ষেপ বন্ধের প্রস্তাব এবং কয়েকটি দেশে দুর্ভিক্ষপিড়ীত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান।


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*

پیام رهبر انقلاب به مسلمانان جهان به مناسبت حج 1440 / 2019
conference-abu-talib
We are All Zakzaky