?>

জম্মু-কাশ্মীরে তুমুল সংঘর্ষ: সেনা সদস্যসহ নিহত ৪

জম্মু-কাশ্মীরে তুমুল সংঘর্ষ: সেনা সদস্যসহ নিহত ৪

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে তুমুল সংঘর্ষে এক সেনা সদস্যসহ ৪ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৩ গেরিলা রয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের দুই জওয়ান। আজ (শনিবার) জম্মু-কাশ্মীরজুড়ে দুটি সংঘর্ষ ও একটি গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে।

(ABNA24.com) ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে তুমুল সংঘর্ষে এক সেনা সদস্যসহ ৪ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৩ গেরিলা রয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের দুই জওয়ান। আজ (শনিবার) জম্মু-কাশ্মীরজুড়ে দুটি সংঘর্ষ ও একটি গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে।

সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবেন্দর আনন্দ গণমাধ্যমকে বন্দুকযুদ্ধে তিন সন্ত্রাসী ও এক সেনা সদস্য নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছেন। জম্মু পুলিশের মহাপরিদর্শক মুকেশ সিং ওই সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার কথা জানিয়েছেন।

আজ রামবান জেলার বাটোতে দুই গেরিলা জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে হামলার চেষ্টা করে। ওই ঘটনার খবর পেয়ে নিরাপত্তা বাহিনী সংশ্লিষ্ট এলাকার একটি বাড়ি ঘিরে ফেলে তল্লাশি অভিযান চালালে উভয়পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। এসময় নিরাপত্তা বাহিনী গেরিলাদের আত্মসমর্পণ করতে বললে তারা তা প্রত্যাখ্যান করে একনাগাড়ে গুলিবর্ষণ চালিয়ে যায়। নিরাপত্তাবাহিনীর পাল্টা গুলিবর্ষণে ৩ গেরিলার মৃত্যু হয়।

আজ নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর গুরেজ সেক্টরের গন্ডেরবল এলাকায় দ্বিতীয় হামলা হয়। সেখানে সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গেরিলারা গুলিবর্ষণ করলে জওয়ানদের পাল্টা গুলিতে একজনের মৃত্যু হয়। সেনাবাহিনীর নর্দান কম্যান্ডের পক্ষ থেকে এক সন্ত্রাসী নিহত হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। নিহতের কাছ থেকে প্রচুর অস্ত্র ও গুলিবারুদ উদ্ধার হয়েছে।

আজ শ্রীনগরে তৃতীয় হামলার অজ্ঞাত গেরিলারা গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এসময় সড়কে লোকজন কম থাকায় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবৃতিকে ভিত্তি করে হামলাকারীদের সন্ধানে নিরাপত্তা বাহিনী তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ‘ভাষা ও চেতনা সমিতি’র সম্পাদক ও কোলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজের সাবেক অধ্যাপক ড. ইমানুল হক আজ (শনিবার) রেডিও তেহরানকে বলেন, ‘যুদ্ধে প্রথম নিহত হয় সত্য। তারফলে সমস্যা হচ্ছে এটাই যে কোনটা সত্যি আর কোনটা সত্যি না তা নির্ধারণ করার জায়গায় আমরা নেই। কারণ, ভারত সরকারের সূত্র যা  বলছে তাই আমাদের মানতে হচ্ছে। সুতরাং এধরণের ঘটনাকে বলব এটা অবাঞ্ছিত ঘটনা। আর এরা যে দাবি করেছিলেন আমরা কাশ্মীরে সবকিছু শান্ত করে দিয়েছি। অন্তত প্রমাণ হল যে কাশ্মীর শান্ত নেই। পঞ্চাশ দিনেরও বেশি হয়ে গেল সেখানকার মানুষজন অবরুদ্ধ হয়ে আছেন। না খেয়ে মরছেন। আপেল খেতে আপেলগুলো পচে নষ্ট হচ্ছে। এই ধরণের গণতন্ত্রহীনতার অবসান হোক।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি জঙ্গিদের ক্ষেত্রে অস্ত্র হোক বা ভারত রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে হোক, অস্ত্র কোনও সমাধান নয়। রাজনৈতিক সমস্যা রাজনৈতিকভাবে আলাপ আলোচনার মেটাতে হবে।’ এটা ছাড়া যদি অন্য পথ নেয় তাহলে কাশ্মীরকে আরেকটা প্যালেস্টাইন বড়ভাবে বানিয়ে দেয়া ছাড়া আর কিছু হবে না বলেও ড. ইমানুল হক মন্তব্য করেন। #




/129


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*