?>

তিউনিশিয়ার গণতন্ত্রকে হুমকি মনে করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত

তিউনিশিয়ার গণতন্ত্রকে হুমকি মনে করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত

তিউনিশিয়ার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল আন্নাহদার নেতা রাশেদ ঘানুচি বলেছেন, তার দেশে স্বৈরশাসনের পরিবর্তে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হওয়ার ঘটনাকে হুমকি মনে করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এজন্য তারা তিউনিশিয়ার চলমান রাজনৈতিক সংকটকে সমর্থন করছে।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা) : তিউনিশিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ গত রোববার আকস্মিকভাবে প্রধানমন্ত্রী হিচেম মেচিচি-সহ কয়েকজন মন্ত্রীকে বরখাস্ত করেন এবং দেশের জাতীয় সংসদ এক মাসের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। এরইমধ্যে তিনি দেশে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করেছেন, পাশাপাশি অন্তত দুই জন সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছেন। প্রসিডেন্ট সাঈদের এসব পদক্ষেপকে তিউনিশিয়ার বিরাট সংখ্যক জনগণ ভালো চোখে দেখছেন না।

গতকাল (শনিবার) ব্রিটিশ সংবাদপত্র টাইমসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে রাশেদ ঘানুচি বলেছেন, “সংযুক্ত আরব আমিরাত তিউনিশিয়ায় আরব বসন্তের ফলাফল ধ্বংস করে দিতে চায়। তারা এই ধারণা গ্রহণ করেছে যে, তিউনিশিয়া থেকে আরব বসন্ত শুরু হয়েছিল এবং সেখানেই তা শেষ করতে হবে"।

ঘানুচি বলেন তার দলের মাধ্যমে তিউনিশিয়ায় যে গণতান্ত্রিক উত্তরণ ঘটেছে তাকে সংযুক্ত আরব আমিরাত হুমকি হিসেবে দেখে থাকে। আন্নাহদা লের নেতা রাশেদ ঘানুচি তিউনিশিয়ার জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তিউনিশিয়া মিশর নয়। তার দেশে মিশরের স্বৈরশাসক জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আস্-সিসির আদলে সামরিক শাসন চেপে বসতে পারবে না। মিশরে ইখওয়ানুল মুসলিমিনের সরকার উৎখাতের পেছনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমর্থন ছিল বলেও উল্লেখ করেন রাশেদ ঘানুচি।#

342/


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*