তানোরে 'জঙ্গি আস্তানায়' অভিযান চলছে, শিশুসহ আটক ১২

তানোরে 'জঙ্গি আস্তানায়' অভিযান চলছে, শিশুসহ আটক ১২

রাজশাহীর তানোর উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে 'জঙ্গি আস্তানা' সন্দেহে পুলিশের অভিযান চলছে।

আবনা ডেস্কঃ রাজশাহীর তানোর উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে 'জঙ্গি আস্তানা' সন্দেহে পুলিশের অভিযান চলছে।
বগুড়া ডিবি পুলিশ ও তানোর থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে রোববার দিবাগত রাতে এ অভিযান শুরু হয়।
অভিযানে ওই 'জঙ্গি আস্তানা' থেকে চার শিশু, চার নারীসহ ১২জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের তানোর থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
পুলিশের দাবি, ওই বাড়িতে দুটি সুইসাইডাল ভেস্ট ও অস্ত্র রয়েছে। ঢাকা থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে এলে ফের সেগুলোর সন্ধানে অভিযান চালানো হবে।
দুপুরের মধ্যে তাদের ঘটনাস্থলে পৌঁছার কথা রয়েছে। তারা এলেই সুইসাইডাল ভেস্টসহ অন্য অস্ত্র উদ্ধার ও নিস্ক্রিয় করার পর অভিযান সমাপ্ত করা হবে।
বর্তমানে ওই বাড়ির এক কিলোমিটার এলাকার মধ্যে জনসাধারণের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। লাল নিশান দিয়ে আশপাশে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ।
রাজশাহীর পুলিশ সুপার মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঞা যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ওই আস্তানা থেকে জঙ্গি সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
জঙ্গি সন্দেহে আটক ওই তিন ব্যক্তি হলেন তানোর উপজেলার পাঁচন্দর এলাকার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের হোমিও চিকিৎসক ইসরাফিল আলম (২৬), তার বড় ভাই ইব্রাহিম(৩৪) ও ভগ্নিপতি রবিউল ইসলাম (৩৫)।
রবিউলের বাড়ি উপজেলার বনকেশর গ্রামে। এদের মধ্যে ইসরাফিল একজন হোমিও চিকিৎসক। মুন্ডুমালা কামিল মাদ্রাসা থেকে তিনি ফাজিল পাস করেছেন। ইব্রাহিম সার ব্যবসায়ী। আর তার ভগ্নিপতি রবিউল ইসলাম একজন কাঠমিস্ত্রি।
আটক অন্যরা হলেন ইসরাফিলের বাবা রমজান আলী (৫৫)। তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। মা আয়েশা বেগম (৫০) গৃহিণী। ইব্রাহিমের স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৩০)। তাদের তিন শিশু সন্তান। এর মধ্যে তামান্না (৮), তানসিকা(৪) ও তাসকিরা(৬ মাস)।
এছাড়া রবিউলের স্ত্রী হাওয়া বেগম (২৩) ও তাদের তিন মাসের মেয়ে শিশু এবং ইসরাফিলের স্ত্রী হারেছা খাতুন।
পুলিশ জানায়, রাত আড়াইটার দিকে কৌশলে ওই বাড়ি থেকে জঙ্গি সন্দেহে প্রথম তিনজনকে আটক করে।
পরে সোমবার সকালে অন্যদের আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এখন বাড়িটি চারিদিক দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। অপেক্ষা করা হচ্ছে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের জন্য।
পুলিশ সুপার বলেন, বাড়ির ভেতরে কীভাবে বোমা বা সুইসাইডাল ভেস্ট রাখা হয়েছে তা বাইরে থেকে বোঝা যাচেছ না। এ জন্য বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলকে সঙ্গে না নিয়ে ভেতরে ঢোকা যাচ্ছে না।


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*

ইসলামের মহান সেনাপতি জে. কাসেম সোলাইমানি ও আবু মাহদি আল-মুহানদিস
We are All Zakzaky
conference-abu-talib
No to deal of the century