?>

বিমান-হেলিকপ্টার ভেঙেচুরে রেখে গেছে মার্কিন সেনারা

বিমান-হেলিকপ্টার ভেঙেচুরে রেখে গেছে মার্কিন সেনারা

আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর বহুল আলোচিত কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে তালেবান যোদ্ধারা। সামরিক পোষাক ও আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তালেবান যোদ্ধারা এখন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দিচ্ছে। মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর কাবুল বিমানবন্দরের টার্মাকে দাঁড়িয়েই তালেবান নেতারা বিজয় ঘোষণা করেন।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা) : মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরুর পর গত ১৫ আগস্ট রাজধানী কাবুল দখল করে নেয় তালেবান। মার্কিন সেনাদের পাশাপাশি হাজার হাজার মানুষ আফগানিস্তান ছাড়ার চেষ্টা করেন। বিশেষ করে গত ২০ বছরে যেসব আফগান নাগরিক তালেবানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মার্কিন সেনাদের সহযোগিতা করেছিলেন,  জীবনের ভয়ে তারা সবাই দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ অবস্থায় কাবুল বিমানবন্দরে দেখা দেয় ব্যাপক ভিড় এবং এই ভিড়ের মধ্যে কয়েক দফা গোলাগুলি ও বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন।

৩১ আগস্ট মধ্যরাতে সর্বশেষ মার্কিন সেনা ও অন্যান্য লোকজন নিয়ে আমেরিকার একটি সামরিক পরিবহন বিমান কাবুল বিমানবন্দরে ছেড়ে যায় আর এর মধ্যদিয়েই শেষ হয় মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া।

কাবুল বিমানবন্দরে প্রধান ভবনে এবং বিমানের কয়েকটি হ্যাঙ্গারের ভেতরে দেখা গেছে- মার্কিন সেনারা তাদের নানা ধরনের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ফেলে রেখে গেছে। প্রধান ভবনের মধ্যে যেখানে সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইউনিফর্ম এবং ফেলে যাওয়া অন্যান্য জিনিসপত্র। এ অবস্থাকে অনেকেই মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিশৃংখলার নমুনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ফেলে যাওয়া বিমান ও হেলিকপ্টারের কোনো কোনটি নষ্ট করে রেখে গেছে। তবে তালেবান কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা টেলিভিশন চ্যানেল জানিয়েছে, মার্কিন সেনারা যেসব বিমান ও হেলিকপ্টার ভেঙেচুরে রেখে গেছে তা ছিল আফগানিস্তানের সরকারি সম্পত্তি। এগুলোর বেশিরভাগই মেরামতযোগ্য নয় বলে আল-জাজিরা বলছে। বিমানবন্দরে পড়ে থাকা বিমান ও হেলিকপ্টারের ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা গেছে তালেবান নেতাদের।#



342/


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*