?>

সোলেইমানি হত্যার নিন্দায় আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

জেনারেল কাসেম সোলেইমানি ও তার সাথীদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলে করে প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারতের আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

হলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি নির্দেশে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ‘কাসেম সোলেইমানি’, ‘আবু মাহদি আল-মুহানদিস’ ও তাদের সাথীদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলে করে প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারতের আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এ সময় শিক্ষার্থীরা জেনারেল সোলেইমানি ও আবু মাহদি আল-মুহানদিসের ছবি এবং আমেরিকা বিরোধী বিভিন্ন শ্লোগান লেখা প্লেকার্ড বহন করছিল।

একটি ব্যানারে ইমাম খোমেনি (রহ.) এর ঐতিহাসিক উক্তিটি লেখা ছিল; ‘শাহাদাত হচ্ছে জাগরণের একটি অংশ’ ‘আমাদেরকে হত্যা করো, জাতি আরো উঠবে’।

বলাবাহুল্য, গত ৩ জানুয়ারি-২০২০ ভোরে বাগদাদ বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পথে মার্কিন বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে জেনারেল কাসেম সোলেইমানি, আবু মাহদি আল-মুহানদিস ও তাঁর সাথীদের গাড়ী লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে কাপুরুষোচিতভাবে তাদেরকে হত্যা করা হয়।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, এ হত্যাকাণ্ড মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ঘটানো হয়।

এ ঘটনায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল-উজমা খামেনেয়ী ৩ দিন জাতীয় শোক ঘোষণা করেন।

জেনারেল কাসেম সোলেইমানি ও তাঁর সাথীদের দেহাবশেষের প্রতি বাগদাদ, কাযেমাইন, কারবালা ও নাজাফ শহরের লাখো জনতার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বৃহস্পতিবার ৫ জানুয়ারি ইরানের আনা হয়। এরপর ইরানের আহভাজ, মাশহাদ, তেহরান ও কোম শহরে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।

৬ জানুয়ারি তেহরানে ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল-উজমা খামেনেয়ীর ইমামতিতে শহীদদের জানাযার নামায অনুষ্ঠিত হয়। ঐতিহাসিক ঐ জানাযার নামাজে রেকর্ড সংখ্যক ৮০ লক্ষাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করে। এরপর জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে তার ওসিয়ত মোতাবেক কেরমান শহরের ‘গোলযারে শোহাদা’য় (শহীদদের কবরস্থান) দাফন করা হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাপুরুষোচিত এ হামলার জবাবে গত ৮ই জানুয়ারী (বুধবার) ইরাকের আল-আনবার প্রদেশে অবস্থিত আইন আল-আসাদ মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী। হামলায় ব্যবহার করা হয় ১৩টি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যেগুলোর আঘাতে মার্কিন ঘাঁটি গুড়িয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, এ যাবতকালে মার্কিনীরা আকাশ সুরক্ষার বিষয়ে তাদের এন্টি মিসাইল সিস্টেমের সক্ষমতার ঢোল পেটালেও ইরানের ছোঁড়া সবকটি ক্ষেপণাস্ত্রই মার্কিনীদের অন্যতম সুসজ্জিত ঐ ঘাঁটিতে আঘাত হানে।#


সম্পর্কিত প্রবন্ধসমূহ

আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*