?>

হজরত ফাতেমা (আ.) এর ওসিয়ত (পর্ব ০১)

হজরত ফাতেমা (আ.) এর ওসিয়ত (পর্ব ০১)

বক্ষমান লেখাটি ‘রাসুলি মাহাল্লাতি’ রচিত ‘যিন্দেগানিয়ে হজরত ফাতেমা যাহরা সালামুল্লাহি আলাইহা’ গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃত করা হয়েছে। হজরত ফাতেমা (সা. আ.) এর ওসিয়ত সমগ্র নিয়ে লেখাটি দীর্ঘ হওয়ায় আমরা ২ পর্বে প্রকাশ করবো। ইন শা আল্লাহ।

হলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): শিয়া ও আহলে সুন্নতের হাদিস ও রেওয়ায়েত থেকে যা কিছু হস্তগত হয়েছে তার ভিত্তিতে এটা স্পষ্ট যে, হজরত ফাতেমা যাহরা (আ.) লিখিত ও মৌখিক উভয়ভাবে ওসিয়ত করেছেন।

তাঁর (আ.) ওসিয়ত যেভাবে ইতিহাস ও হাদিস গ্রন্থসমূহে বিক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত হয়েছে, সেভাবে তাঁর ওসিয়ত বর্ণনাকারীগণের নাম, ওসিয়ত লিখিত ছিল নাকি মৌখিক, নাকি কিছু মৌখিক কিছু লিখিত ইত্যাদি বিষয়াদি বিক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত হয়েছে। এই লেখনীতে প্রত্যেকটি ওসিয়তকে আলাদা আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:

 

উম্মু আইমান, আসমা, সালমা...

হজরত ফাতেমা (আ.) এর ওসিয়তে বহুবার আমিরুল মু’মিনীন আলী (আ.) এর নাম ছাড়াও ৩ সম্মানিত রমনীর নামও রেওয়ায়েতে  বর্ণিত হয়েছে; ‘উম্মু আইমান’, ‘আসমা’ এবং আবু রাফে’র স্ত্রী ‘সালমা’।

 

উম্মু আইমান (রা.)

উম্মু আইমান ছিলেন একজন আত্মোৎসর্গী ও ঈমানদার রমনী; হজরত ফাতেমা (আ.) এর দাবীর সত্যতার পক্ষে যিনি সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। তিনি মহানবি (স.) ও হজরত খাদিজা (সা. আ.) এর বাড়ীতে থাকতেন। পরবর্তীতে মদিনায় হিজরত করেন ও উসামা (রা.) এর বাড়িতে যান এবং উসামা (রা.) এর পর মহানবি (স.) এর আহলে বাইত (আ.) এর খেদমতে ছিলেন।

 

আসমা বিনতে উমাইস (রা.)

মোতার যুদ্ধে আসমা বিনতে উমাইস (রা.) এর স্বামী জাফার বিন আবু তালিব (রা.) শহীদ হওয়ার পর হজরত আবু বকরের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ে আল্লাহর রাসুল (স.) এর ইন্তেকালের আগেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এ কারণে, হজরত ফাতেমা (আ.) এর ওসিয়ত, শাহাদাত, গোসল এবং দাফনের ঘটনার সময়ে সেখানে তার উপস্থিতি অনেকে মানতে নারাজ হয়েছেন।

কিন্তু বিশিষ্ট ঐতিহাসিক ও লেখক ‘রাসুলি মাহাল্লাতি’র মতে হজরত আসমা (রা.) এর হজরত ফাতেমা (আ.) এর বাড়ীতে যাতায়াত না করা এবং তাঁর শাহাদাতের সময়সহ গোসল ও কাফনের সময় সেখানে তার উপস্থিত না হওয়ার পক্ষে কোন দলীল আমাদের হাতে নেই। আর শিয়া ও সুন্নি সূত্রে বহুসংখ্যক রেওয়ায়েত তার উপস্থিতির বিষয়টিকে সত্যায়িত করেছে। ঐ রেওয়ায়েতের সবগুলোতে বিচ্যুতি এবং হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা দেয়া যায় না।

এছাড়া, স্বয়ং ঐ বর্ণনার ভেতরেই এমন কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো থেকে প্রমাণিত হয় যে, হজরত আসমা (রা.) হজরত আবু বকরের স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও হজরত ফাতেমা (সা. আ.) এর বাড়ীতে যাতায়াত করতেন এবং তাঁর ওসিয়ত ও গোসলের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

‘মরহুম এরবেলি’ তার ‘কাশফুল গুম্মাহ’ গ্রন্থে এবং অন্যান্যরা স্বয়ং আসমা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, যখন ফাতেমা (আ.) বিদায় নিলেন, তখন হজরত আয়েশা এসে ফাতেমার ঘরে ঢুকতে চাইলো। আমি তাকে বাধা দিলাম এবং কক্ষে প্রবেশ করতে দিলাম না। হজরত আয়েশা অসন্তুষ্ট হয়ে আবু বকরের কাছে অভিযোগ করলো। এই ‘হাবাশি’ মহিলা আমার ও নবিকন্যার মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাকে তাঁর কক্ষে যেতে দিচ্ছে না!

আবু বকর আমাকে এসে বললো: আসমা! কেন তুমি নবীপত্নীদেরকে ফাতেমার কাছে যেতে দিচ্ছ না?

আমি (আসমা) বললাম: স্বয়ং ফাতেমারই নির্দেশ যেন তার জানাযার (লাশ) কাছে কেউ না যায়।[১]

সালমা (রা.) সম্পর্কে উসদুল গাবাহ’তে ইবনে জাযারি লিখেছেন:

‘সালমা’ আল্লাহর রাসূল (স.) এর খেদমত করতেন। তিনি ছিলেন আব্দুল মুত্তালিবের (আ.) কন্যা সাফিয়াহ’র দাসী। রাসুল (স.) এর জন্মের সময় তিনিই ধাত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। একইভাবে আল্লাহর রাসুল (স.) এর পুত্র ‘ইব্রাহিম’ (আ.) এর ধাত্রীও তিনি ছিলেন। হজরত ফাতেমা (সা. আ.) এর শাহাদাতের পর তাঁর গোসলের কাজে আলী (আ.) ও আসমা (রা.) কে তিনিই সাহায্য করেছিলেন।[২]

সালমা যে সাফিয়্যাহ’র দাসী ছিলেন -এ বিষয়টি সঠিক নয় বলে মন্তব্য করে ‘কামুসুর রেজাল’ গ্রন্থের লেখক বলেছেন: বেলাযারি ‘মহানবি (স.) এর কানিজগণ’-এর মাঝে সালমা’র নাম উল্লেখ করেনি। তিনি (স.) তাকে মুক্ত করে দিয়েছিলেন।[৩]

রাসুলি মাহাল্লাতির মতে: কিছু কিছু রেওয়ায়েত থেকে স্পষ্ট হয় যে, সালমা (রা.) ছিলেন মহানবি (স.) এর সম্মানিত মাতা হজরত আমিনা (সা. আ.) এর গৃহপরিচারিকা। তাঁর ইন্তিকালের পর তিনি মহানবি (স.) এর গৃহপরিচারিকা হন। মহানবি (স.) তাকে মুক্ত করে দেন এবং তিনি আবু রাফে’র সাথে বিয়ে করেন। এ বিয়ের ফল স্বরূপ কয়েকটি সন্তান জন্মলাভ করে; তাদেরই একজন হলেন হজরত আলী (আ.) এর কাতেব (লেখক) ‘উবাইদুল্লাহ ইবনে আবু রাফে’।

যাইহোক, ওসিয়তনামাতে উম্মু আইমান (রা.) সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না হলেও রেওয়ায়েতে তার নাম উল্লেখিত হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, হজরত ফাতেমা (সা. আ.) তার উদ্দেশ্যে ওসিয়ত করেছেন অথবা সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ট হিসেবে হজরত ফাতেমা (আ.) তাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যাতে আলী (আ.) কে তাঁর কাছে ডেকে আনেন।[৪]

সালমা সম্পর্কে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, সালমা বলেন: ফাতেমা (সা. আ.) অসুস্থ হওয়ার পর আমিই তাঁর সেবা-শশ্রুষা করতাম। একদিন আলী (আ.) কোন কাজে বাড়ির বাইরে গেলে ফাতেমা (আ.) আমাকে গোসলের পানির ব্যবস্থা করতে বললেন, ঐ সময় তিনি সুস্থ ছিলেন।

আমাকে বললেন: মা! আমার গোসলের জন্য একটু পানির ব্যবস্থা করুন। ফাতেমা (আ.) উঠলেন এবং গোসল সেরে নতুন পোশাক পরলেন। অতঃপর আমাকে নির্দেশ দিলেন কামরার মাঝখানে বসার জন্য কিছু বিছাতে। এরপর তিনি তাঁর পা-দ্বয়কে কিবলামুখী করে সেটার উপর শুয়ে পড়লেন। অতঃপর তিনি নিজের চিবুকের নীচে হাত রেখে বললেন: ‘আমি কিছুক্ষণের মধ্যেই তোমাদের মাঝ থেকে বিদায় নেব। আর সেভাবেই তিনি বিদায় নিলেন এবং আমি আলী (আ.) কে সংবাদ দিলাম... হাদীসের শেষ পর্যন্ত।[৫]

আসমা বিনতে উমাইস (রা.) সম্পর্কে কিছু কিছু বর্ণনায় এসেছে যে, তিনি বলেন: ‘ফাতেমা (আ.) আমাকে ওসিয়ত করেছিলেন যেন আমি ও আলী ব্যতীত কেউ তাঁকে গোসল না দেয়। আমিও গোসলের সময় তাঁর ওসিয়ত মোতাবেক আলী (আ.) কে সাহায্য করেছিলাম[৬] এবং দু’জনে তাঁকে গোসল দিয়েছিলাম।

শিয়া ও সুন্নি সূত্রে বর্ণিত কয়েকটি হাদিসে এসেছে যে, আসমা (রা.) বলেন: ‘ফাতেমা ওফাতের সময় আমাকে বললেন: মা! নারীদের জানাযা (লাশ) বহন ও উত্তোলনের প্রচলিত পদ্ধতিতে আমি লজ্জা পাই। আমার জন্য এটা পছন্দনীয় নয় যে, নারীদের লাশকে এমন খাটিয়ার উপর রাখা হবে এবং লাশ এমন একটি কাপড় দিয়ে ঢেকে দেয়া হবে যে, তার শরীরের উঁচু ও নিচু অংশগুলো অন্যদের জন্য স্পষ্ট থাকবে।

আসমা (রা.) বলেন: আমি হাবাশা’তে যা কিছু দেখেছি তা তৈরি করে আপনাকে দেখাচ্ছি। অতঃপর তিনি কয়েকটি ভেজা কাঠ ও কাঠের একটি তক্তা নিয়ে এলেন। এরপর (ভেজা) কাঠগুলোকে বাঁকিয়ে সেগুলোর দু’পাশকে তক্তার দু’পাশে বেঁধে দিলেন এবং তার উপর একটি চাদর দিয়ে দিলেন। ফাতেমা (আ.) দেখে খুশি হলেন এবং মুচকি হাসলেন।

আসমা (রা.) বলেন: মহানবি (স.) এর ইন্তিকালের পর থেকে ঐ দিন পর্যন্ত নবীকন্যার মুখে কখনও আমি মুচকি হাসি দেখিনি।[৭]

(যারা নিজেদেরকে হজরত ফাতেমা যাহরা (সা. আ.) এর অনুসারী হিসেবে মনে করে, তাদের উচিত হাদিসের এ অংশটির প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখা এবং ফাতেমা যাহরা (আ.) এর হিজাবের প্রতি যে গুরুত্ব দিয়েছেন তার প্রতি খেয়াল রাখা। এমনকি নিজের ওফাতের পরবর্তী সময়েও নিজের হিজাবের বিষয়ে তিনি (আ.) উদ্বিগ্ন ছিলেন। অতএব, তাঁর অনুসারীদের উচিত হিজাবকে বাড়ি ও পরিবারসহ জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করা; যাতে হাশরের দিন তাঁর শাফায়াতের শামিল হতে পারে, ইন শা আল্লাহ্। - অনুবাদক)

অপর একটি রেওয়ায়েতে এসেছে যে, তিনি বলেন: ‘এ (পদ্ধতি) কতই না পছন্দনীয় ও উত্তম যে, এর মাধ্যমে নারী ও পুরুষের জানাযাকে নির্দিষ্ট করা যায় না।[৮]

অপর একটি হাদিসে এসেছে, এরপর হজরত ফাতেমা (আ.) বলেন: ((اصنعى لى مثله استرينى سترك الله من النار)) ‘আমার জন্য এমন কিছু তৈরি কর এবং আমাকে ঢেকে দাও, আল্লাহ্ তোমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে ঢেকে (নিরাপদে) রাখুন।[৯]

আবার কিছু কিছু রেওয়ায়েতে এসেছে, হজরত ফাতেমা (সা. আ.) আলী (আ.) কে ওসিয়ত করেছিলেন এমন একটি তাবুত বা খাটিয়া বানাতে...।

তবে ইতিহাসের সুনিশ্চিত বর্ণনার ভিত্তিতে এই পদ্ধিতে ইসলামে প্রথম খাটিয়া তৈরি করা হয়েছিল হজরত ফাতেমা (আ.) এর জানাযা উত্তোলনের সময়।

 

ইমাম আলী (আ.) কে যা কিছু ওসিয়ত করেছিলেন

শিয়া ও সুন্নি হাদিসবেত্তাদের বর্ণনায় হজরত ফাতেমা যাহরা (সা. আ.) এর থেকে যে সকল কারামাত (অলৌকিক ঘটনা) উল্লেখিত হয়েছে, নিজের মৃত্যু সম্পর্কে পূর্বাভাস সেগুলোর অন্যতম। তিনি তাঁর শাহাদাতের দিন ও সময় নির্দিষ্ট করে বলে দিয়েছেন।

তিনি হজরত আলী (আ.) কে বললেন: ‘আমার মৃত্যুর সময় এসে গেছে! আলী (আ.) বললেন: হে নবীকন্যা! (তোমার সম্মানিত পিতার ইন্তেকালের মধ্য দিয়ে) ওহি’র সম্পর্ক কর্তিত হয়েছে, তুমি কিভাবে এ সংবাদ সম্পর্কে জানলে?’

ফাতেমা (সা. আ.) উত্তরে বললেন: কিছুক্ষণের জন্য আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিলাম, স্বপ্নে আল্লাহর রাসূল (স.) কে দেখলাম তিনি আমাকে বলছেন: ‘আজরাতে তুমি আমাদের নিকটে থাকবে’। আমি জানি যে, তিনি সত্য বলেছেন এবং আজই আমার জীবনের শেষ দিন’।[১০]

এরপর তিনি আলী (আ.) কে বললেন: আমার মনে কিছু কথা রয়েছে সেগুলো আমি তোমার নিকট ওসিয়ত করতে চাই!

আলী (আ.) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল (স.) এর কন্যা যা বলতে চাও বলো!

এ সময় আলী (আ.) কামরায় থাকা অপর সকলকে বাইরে যেতে বলে হজরত ফাতেমার (আ.) মাথার নিকটে এসে বসলেন। এ সময় হজরত ফাতেমা (সা. আ.) বলা শুরু করলেন: হে চাচার পুত্র! আমার থেকে কি তুমি কখনও মিথ্যা ও বিশ্বাসঘাতকতা (খেয়ানত) দেখেছো? বিয়ের পর থেকে কি কখনো আমি তোমার অবাধ্য হয়েছি?

আলী (আ.) বললেন:

«معاذ الله انت اعلم بالله و ابر و اتقى و اكرم و اشد خوفا من الله من ان اوبخك بمخالفتى، قد عز على مفارقتك و تفقدك الا انه امر لا بد منه...»

মায়াযাল্লাহ, আমার বিরোধিতা ও না-ফরমানির জন্য তোমাকে তিরস্কার ও ভর্ৎসনা করার চেয়ে তুমি মহান আল্লাহর বিষয়ে অধিক অবগত, অধিক সৎকর্মশীল, অধিক তাকওয়াবান, উত্তম এবং মহান আল্লাহর বিষয়ে চরম ভীত ও সন্ত্রস্ত। নিশ্চয়ই তোমার বিচ্ছেদ ও দূরত্ব আমার জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হবে, কিন্তু এ ছাড়া কোন উপায় নেই...।

আলী (আ.) আরও বললেন: নিশ্চয়ই তুমি আবারও আল্লাহর রাসূলের (স.) বিদায়ের দুঃখকে ফিরিয়ে আনলে। তোমার মৃত্যু ও অনুপস্থিতি আমার জন্য অনেক বড় (দুঃখ)। ‘অতএব, নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী’! হায়, কত বেদনাদায়ক, বড়, হৃদয়বিদারক ও মর্মান্তিক মুসিবত। যে মুসিবতের ক্ষতি অপূরণীয়।

বর্ণিত হয়েছে, এরপর উভয়ই কাঁদলেন বেশ কিছুক্ষণ ধরে। হজরত আলী (আ.) ফাতেমা (আ.) এর মাথা মোবারক নিজের বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে তাঁকে বললেন: যা ওসিয়ত করতে চাও বলো, আমি সেটাকে পূর্ণ করবো।

(পরবর্ত পর্বে সমাপ্ত)

 

গ্রন্থসূত্র:

১. কাশফুল গুম্মাহ, খণ্ড ২, পৃ. ১৩০; আল-ইস্তিয়াব, খণ্ড ২, পৃ. ৭৫২; উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রেওয়ায়েত এ বিষয়ে এবং এর ব্যাখ্যায় এহকাকুল হাক গ্রন্থের ১০ম খণ্ডের ৪৭০ পৃষ্ঠার পর বর্ণিত হয়েছে।

২. উসদুল গাবাহ, খণ্ড ৫, পৃ. ৪৭৮।

৩. উসদুল গাবাহ, খণ্ড ৫, পৃ. ৪৭৮।

৪. বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ৪৩, পৃ. ১৮১, ২০৪।

৫. প্রাগুক্ত, পৃ. ১৭২, ১৮৩ ও ১৮৮; কাশফুল গুম্মাহ, খণ্ড ২, পৃ. ১২৭।

৬. বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ৪৩, পৃ. ১৮৪ ও ১৮৯; কাশফুল গুম্মাহ, খণ্ড ২, পৃ. ১২৬ ও ১৩০।

৭. এহকাকুল হাক্ব, খণ্ড ১০, পৃ. ৪৭৪; বিহারুল আনওয়ার , খণ্ড ৪৩, পৃ. ১৮৯ ও ২১৩।

৮. কাশফুল গুম্মাহ, খণ্ড ২, পৃ. ১৩০; আল-ইস্তিয়াব, খণ্ড ২, পৃ. ৭৫২।

৯. বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ৪৩, পৃ. ২১৩।

১০. প্রাগুক্ত, পৃ. ১৭৯।


সম্পর্কিত প্রবন্ধসমূহ

আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*