?>

‘জাতিসংঘের প্রস্তাব অন্যায়, পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’

‘জাতিসংঘের প্রস্তাব অন্যায়, পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’

ইরানের মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহিত প্রস্তাবকে অন্যায়, পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদে বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানোর যে দায়িত্ব জাতিসংঘের রয়েছে আলোচ্য প্রস্তাবটিতে তার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি; এছাড়া, প্রস্তাবটির পক্ষে বিশ্বের সবগুলো দেশের সমর্থনও পাওয়া যায়নি।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে ইরানের মানবাধিকার পরিস্থিতির সমালোচনা করেন। একইসঙ্গে তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধিকে সহযোগিতা করতে ইরানের প্রতি আহ্বান জানান। গুতেরেসের ওই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে ইরানের বিরুদ্ধে বাধ্যবাধকতাহীন একটি প্রস্তাব পাস করেছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।

এ সম্পর্কে খাতিবজাদে আরো বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতিবেদনের প্রতিটি ধারা-উপধারার ব্যাপারে প্রমাণসহ তার দপ্তরে ইরান নিজের যে মূল্যায়ন পাঠিয়েছে তা আলোচ্য প্রস্তাবে ইচ্ছাকৃতভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। তিনি বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিবের নামে যে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে দুঃখজনকভাবে তাতে এমন সব উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে যেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই বরং ইরানের সরকারবিরোধী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো এসব তথ্যের উৎস।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, তার দেশ এ পর্যন্ত জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনসহ এই বিশ্ব সংস্থার মানবাধিকার বিষয়ক সবগুলো ফোরামকে ইতিবাচক সহযোগিতা করে এসেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে মহাসচিবের প্রতিবেদনে এসব সহযোগিতার কথা উল্লেখ করা হয়নি। কিন্তু তা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানোর ধর্মীয় দায়িত্ববোধ থেকে ইরান ওই সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। খাতিবজাদে বলেন, ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এদেশের মানুষের মানবাধিকার যে চরমভাবে লঙ্ঘন করা হচ্ছে তার প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতিবেদনে কোনো ইঙ্গিত করা হয়নি।#

342/


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*