আজ তেহরানে জুমার নামাজের খুতবায় তিনি এসব কথা বলেন। ইরানের প্রভাবশালী এই আলেম বলেন, এখানে দুটি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ তুলে ধরছি। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি'র কমান্ডার স্পষ্ট করে বলেছেন, ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলা আরও বিস্তৃত আকারে হতে পারত, কিন্তু ইসরাইল যেরকম ঠিক সেরকম পর্যায়ের একটা সীমিত আকারের হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে সামরিক বিশ্লেষকরা এই হামলার নানা দিক বিশ্লেষণের পর বলছেন, এটা সত্যিকার অর্থে বিস্তৃত হামলা ছিল। কারণ বিশ্লেষকেরা এই অভিযানকে আঞ্চলিক রাজনৈতিক ও সামরিক সমীকরণে মৌলিক পরিবর্তন সৃষ্টিকারী পদক্ষেপ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করছেন।
হুজ্জাতুল ইসলাম মুহাম্মাদ হাসান আবু তোরাবিফার্দ আরও বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স এবং তাদের সাথে জোটবদ্ধ দেশগুলো সর্বশক্তি নিয়োগ করলেও ইরান তার শক্তি ও সক্ষমতার খুব সামান্যই ব্যবহার করেছে। কৌশলগত দিক থেকে এই হামলার বিস্তৃত প্রভাব রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সিরিয়ায় ইরানি দূতাবাসে ইসরাইলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে গত ১৪ এপ্রিল দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইলে শত শত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে হামলা চালায় তেহরান।#
342/