ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ব্রিটেন ওই যুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। মস্কোর নিরাপত্তা বিষয়ে উদ্বেগের প্রতি পশ্চিমাদের ভ্রক্ষেপহীনতা এবং রাশিয়ার সীমান্তের কাছে ন্যাটো বাহিনীর সম্প্রসারণ থেকে ওই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। পার্সটুডে আরও জানিয়েছে, লন্ডন রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে, ইউক্রেনকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে উত্তেজনা ও সংঘাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। ব্রিটেন এখন পর্যন্ত রাশিয়ার ১১শ'রও বেশি নাগরিক এবং ৮০০ টিরও বেশি সরকারী সংস্থার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবার পর ক্রেমলিনের মুখপাত্র পেসকভ সাংবাদিকদের আরও বলেন: লন্ডন একইভাবে মস্কোর বিরুদ্ধে অবন্ধুসুলভ আচরণ করে যাচ্ছে। সে কারণে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে লেবার পার্টির বিজয় এবং নয়া প্রধানমন্ত্রী স্যার কেয়ার রডনি স্টারমারকে অভিনন্দন জানাবার সম্ভাবনা খুব কম বলেই মনে হচ্ছে।
পুতিন স্টার্মারের বিজয়কে স্বাগত জানাবেন কিনা-জানতে চাইলে পেসকভ স্পষ্ট করে বলেন: সবকিছুই নির্ভর করছে নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের ওপর। যদিও তিনি শান্তিপূর্ণ এবং সৃজনশীল কোনো উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসবেন বলে মনে হচ্ছে না।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে লেবার পার্টি ৬৫০টি আসনে জয়লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। এর ফলে প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।#
342/