আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): মোগেরিনি গতকাল (বুধবার) আটলান্টিক কাউন্সিল থিংক ট্যাংকের সঙ্গে আলাপ করার সময় এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, হোয়াইট হাউজ থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদায় নেয়ার পরও আমেরিকার পরমাণু সমঝোতায় ফিরে আসা নিয়ে ইরানের উদ্বেগ কাটবে না, কারণ পরবর্তীতে আবার কোনো রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় এসে আমেরিকাকে এই সমঝোতা থেকে বের করে নিতে পারেন।
সেজন্য মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে এমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান যার ফলে হোয়াইট হাউজের ক্ষমতায় পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পরমাণু সমঝোতা থেকে আমেরিকাকে বের করে নেয়া না যায়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাবেক এই কূটনীতিক দাবি করেন, ইরানকে একটি পরমাণু শক্তিধর দেশ হওয়া থেকে বিরত রাখার একমাত্র উপায় হচ্ছে পরমাণু সমঝোতা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা।
২০১৫ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শাসনামলে আমেরিকাসহ ছয় জাতিগোষ্ঠী ইরানের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতায় স্বাক্ষর করেছিল। আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে ইরানের ওই সমঝোতা স্বাক্ষরে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেছিলেন ফেডেরিকা মোগেরিনি।
কিন্তু ২০১৮ সালে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই সমঝোতা থেকে আমেরিকাকে বের করে নেন। এবার বারাক ওবামার ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিতে বলেছিলেন, তিনি কিছু শর্তসাপেক্ষে ইরানের পরমাণু সমঝোতায় ফিরবেন। কিন্তু তেহরান বলছে, আমেরিকাকে নিঃশর্তভাবে এই সমঝোতায় ফিরতে হবে।এরকম একটি পরিস্থিতিতে মোগেরিনি এ বক্তব্য দিলেন।#
342/