আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): বার্তায় বলা হয়েছে, “জেনারেল সোলায়মানিকে কাপুরুষোচিতভাবে হত্যা করে মস্তবড় ভুল করেছে আমেরিকা।” এতে আরো বলা হয়, ইরাকের পার্লামেন্ট দেশটি থেকে সব বিদেশি সেনা বহিষ্কারের যে আইন পাস করেছে সেটি “আমাদের অঞ্চলে মার্কিন সেনা উপস্থিতির অবসানের সূচনা হতে পারে।”
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, “সন্ত্রাসী মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতির কারণে আমাদের অঞ্চল এরইমধ্যে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”
গত ৩ জানুয়ারি ভোররাতে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন সন্ত্রাসী বাহিনীর ড্রোন হামলায় ইরানের কুদস ফোর্সের সাবেক কমান্ডার লেঃ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি শাহাদাৎবরণ করেন।
ওই হামলায় জেনারেল সোলাইমানির সঙ্গে ইরাকের জনপ্রিয় সরকারপন্থি স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী হাশদ আশ-শাবি’র উপ প্রধান আবু মাহদি আল-মুহানদিস’সহ দু’দেশের মোট ১০ জওয়ান ও কমান্ডার শহীদ হন। শাহাদাতপ্রাপ্ত এসব যোদ্ধা ইরাক ও সিরিয়া থেকে উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশ (আইএস) উৎখাতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন।
ওই দুই দেশে সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে একজন সফল জেনারেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন লেঃ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি যা সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষক আমেরিকা মেনে নিতে পারেনি। জেনারেল সোলায়মানিকে হত্যার দু’দিনের মাথায় ইরাকের পার্লামেন্ট দেশটি থেকে সব বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে একটি বিল পাস করেছিল যা আমেরিকার চাপে এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা যায়নি।#
342/