আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): আল-আকসা মসজিদের খতিব শেখ ইকরিমা সাবরি জোর দিয়ে বলেছেন, এসব পদক্ষেপের ফলে ওই এলাকার বৈশিষ্ট্য ও জনসংখ্যাগত কাঠামো পরিবর্তিত হতে পারে।
আল-আকসা মসজিদের খতিব এক বার্তায় পবিত্র এই স্থানের আশপাশের এলাকায় বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ ও দৃঢ়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, তাদের এই দৃঢ় অবস্থানই অধিকৃত আল-কুদস শহরে ফিলিস্তিনিদের উপস্থিতি বজায় রাখার প্রথম প্রতিরক্ষা লাইন।
এর আগে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের অন্যতম নেতা মাজেদ আবু কাতিশ ইহুদিকরণের পরিকল্পনার ব্যাপারে সতর্ক করে আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনিদের উপস্থিতি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন।
হামাসের এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, “আমরা ফিলিস্তিনি জনগণকে আল-আকসা মসজিদে তাদের উপস্থিতি ও দৃঢ়তা বাড়ানোর আহ্বান জানাই। যারা সেখানে পৌঁছাতে সক্ষম, তাদের আমরা সাধারণ সংহতি ও মসজিদের প্রাঙ্গণে নিয়মিত উপস্থিতি বাড়ানোর আহ্বান জানাই, যাতে আল-আকসা মসজিদের ইসলামী পরিচয়কে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা যায় এবং বিভাজন ও ইহুদিকরণের পরিকল্পনা থেকে এই পবিত্র স্থানকে রক্ষা করা যায়।”
তিনি আরও বলেন, “আল-আকসা মসজিদে বসতি স্থাপনকারীদের অব্যাহত হামলা এবং পবিত্র এই স্থানের প্রাঙ্গণে ক্রমবর্ধমান অবমাননা উগ্র দখলদার ইহুদিবাদী ইসরায়েলের সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হচ্ছে। এর লক্ষ্য হলো ইহুদিকরণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং আল-আকসার ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।”
ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, নাবলুসের দক্ষিণে অবস্থিত বুরিন শহরে সশস্ত্র ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় এক ফিলিস্তিনি নাগরিক আহত হয়েছেন।
ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট আরও জানিয়েছে, নাবলুসের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত বারকা শহরে ইসরায়েলি সেনাদের অভিযানে আরও দুই ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। দখলদার ইসরায়েলি সেনারা কালকিলিয়া শহর এবং জেনিনের দক্ষিণে অবস্থিত কাফিরাত শহরেও হামলা চালিয়েছে।
Your Comment