আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইয়েমেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে যে, জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার এবং সেই সাথে নিজেদের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার অধিকার ইয়েমেন প্রয়োগ করছে।
বিবৃতিতে ঘোষণা করা হয় যে, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব ও পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে; এতে আরও বলা হয়, "অন্যের নিয়ন্ত্রণ ও বিদেশি নির্ভরতার যুগের চির অবসান ঘটেছে।"
বিবৃতির অন্য একটি অংশে ইয়েমেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আজকের বক্তব্যের জবাবে জোর দিয়ে বলেছে যে, সৌদি সামরিক অবস্থানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা, ‘অবরোধের বিপরীতে অবরোধ’ নীতি কার্যকর করা এবং সৌদি আগ্রাসন ও অপরাধের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করা—এসবই আন্তর্জাতিক রীতিনীতি, চুক্তি ও আইন দ্বারা স্বীকৃত ও নিশ্চিত একটি বৈধ অধিকার।
ইয়েমেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে যে, অপরাধী সৌদি শাসকগোষ্ঠী ১৯৩০-এর দশক থেকেই ইয়েমেনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য ক্রমাগত হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে; তারা দেশটির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ চাপিয়ে দেওয়া এবং এর বিভাজন, দখল ও সক্ষমতা ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সৌদি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবরোধ ঘোষণা করার মধ্য দিয়ে ইয়েমেন একটি স্পষ্ট ও বৈধ লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করছিল—আর তা হলো, ওই শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক ইয়েমেনের ওপর আরোপিত অবরোধের অবসান ঘটানো।
সৌদি সরকারের আগ্রাসন ও অবরোধ বন্ধে তাদের বাধ্য করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বারবার আহ্বানের বিষয়টি উল্লেখ করে, ইয়েমেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সৌদি সরকারের অপরাধের বিষয়ে তাদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছে।
ইয়েমেন জোর দিয়ে বলেছে যে, সৌদি সরকার অঞ্চলটিকে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং এর পরিণতির জন্য তারাই সম্পূর্ণ দায়ী।
Your Comment