১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ - ১২:১৫
'পশ্চিমা মিডিয়া মূল ধারার মুসলমানদের কথা তুলে ধরছে না'

পশ্চিমা যুব সমাজের কাছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ঐতিহাসিক বাণীর নানা দিক ও গুরুত্ব সম্পর্কে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও চিন্তাশীল মহলের প্রতিক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

আবনা : পশ্চিমা যুব সমাজের কাছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ঐতিহাসিক বাণীর নানা দিক ও গুরুত্ব সম্পর্কে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও চিন্তাশীল মহলের প্রতিক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
আমেরিকা ও কানাডার একত্ববাদী খ্রিস্টান 'মনোনাইট' সম্প্রদায়ের সদস্য ডেভিড পাওয়েল পশ্চিমা যুব সমাজের প্রতি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই বাণীর প্রশংসা করে বলেছেন, 'ইরানের নেতা এটা চান যে পশ্চিমা যুব সমাজ ইসলামের বৃহত্তর ধারার অনুসারীদের সঙ্গে অল্প সংখ্যক উগ্রবাদীদের আচরণের মধ্যে পার্থক্য থাকার বিষয়টি উপলব্ধি করুক। পশ্চিমা মিডিয়াগুলো এইসব উগ্র আচরণের খবরই প্রচার করছে। ইরানি নেতা চান যে পশ্চিমা যুব সমাজ যেন অপেক্ষাকৃত নিরপেক্ষ মন নিয়ে ইসলাম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে।'
গত ২১ শে জানুয়ারি (২০১৫) বিশ্বের সংবাদ ও গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত হয় পশ্চিমা যুব সমাজের কাছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ঐতিহাসিক বাণী। অনন্য এই বাণী বিশ্বব্যাপী যুক্তিবাদী ও চিন্তাশীল মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। প্যারিসে শার্লি এবদো নামের একটি রম্য-পত্রিকার অফিসে রহস্যজনক হামলার অজুহাতে ওই পত্রিকায় মহানবী (সা.)'র প্রতি একটি অবমাননাকর কার্টুন প্রকাশের পটভূমিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এই বাণী পাঠান।
তিনি বলেছেন, 'ইসলাম আতঙ্ক' থেকে পালিয়ে না গিয়ে এ ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা উচিত। তিনি আরো মুসলমানদের ব্যাপারে আতঙ্ক তৈরি করে তা থেকে রাজনৈতিক সুবিধা আদায় পাশ্চাত্যের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য।
পশ্চিমা প্রচার মাধ্যমগুলো ও ইহুদিবাদীদের নিয়ন্ত্রিত সংবাদ এবং প্রচারযন্ত্রগুলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই ঐতিহাসিক বাণীকে নিজেদের ইচ্ছেমত কাটছাঁট করে বা কম গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা এই ঐতিহাসিক বাণীর ব্যাপক প্রচার রুখতে ব্যর্থ হয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই বাণী প্রকাশিত হওয়ার পর মাত্র এক সপ্তাহ'র মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে তা এক কোটি ষাট লাখ বার শেয়ার হয়েছে।#