‘ঈদে মিলাদুন্নবীকে হারাম ঘোষণার অধিকার সৌদি মুফতির নেই’

  • News Code : 729288
  • Source : IRIB
Brief

ইহুদিচক্র ও সাম্রাজ্যবাদীরা ইসলাম ও মুসলিমদের ব্যাপারে ঈর্ষান্বিত। তারা বিশ্বের দেশে দেশে মুসলমানদের মধ্যে নানাভাবে উসকানির মাধ্যমে বিভেদ সৃষ্টি করে পরস্পরকে হত্যা করাচ্ছে।

আবনা ডেস্ক : ইহুদিচক্র ও সাম্রাজ্যবাদীরা ইসলাম ও মুসলিমদের ব্যাপারে ঈর্ষান্বিত। তারা বিশ্বের দেশে দেশে মুসলমানদের মধ্যে নানাভাবে উসকানির মাধ্যমে বিভেদ সৃষ্টি করে পরস্পরকে হত্যা করাচ্ছে।
রেডিও তেহরানের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন সুরেশ্বর পীর আলহাজ খাজা শাহসুফি সৈয়দ নুরে আখতার হোসাইন আহমদি নুরি। সাম্রাজ্যবাদীদের চক্রান্তের ফলে বিশ্বে প্রতিদিন অসংখ্য মুসলমানের রক্ত ঝরছে এবং তারা নিহত হচ্ছে বলেও তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে সারা বিশ্বে মুসলমানদের মধ্যে যে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ দৃঢ় হচ্ছে যে কারণে ইহুদিবাদীরা ও সাম্রাজ্যবাদীরা ঈর্ষান্বিত হয়ে এ ধরণের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
সম্প্রতি ইরানে ‘ইসলামি ঐক্য সপ্তাহ’ উপলক্ষে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নিতে এসে রেডিও তেহরানকে এসব কথা বলেন হোসাইন আহমেদ নুরি।
সৌদি আরবের গ্রান্ড মুফতি শেখ আব্দুল আজিজ আশ-শেইখ সম্প্রতি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করাকে ‘পুরোপুরি হারাম’ বলে ফতোয়া দিয়েছেন। সুরেশ্বর পীর তার ওই ফতোয়ার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, রাসুল (সা.)’র পৃথিবীতে আগমনের দিন খুশির দিন-ঈদে মিলাদুন্নবী। তাঁকে সৃষ্টি করা না হলে কুল মাখলুকাতকে সৃষ্টি করা হতো না। সেই রাসুল (সা.)’র জন্মদিন নিয়ে কোনো ফতোয়া দেয়ার বৈধ অধিকার সৌদি আরবের গ্রান্ড মুফতির নেই। সৌদি গ্রান্ড মুফতিকে তিনি ওহাবি বলেও মন্তব্য করেন।
গ্রান্ড মুফতি সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, সে প্রকৃত অর্থে ইসলাম এবং মুসলমানের ঈমানকে সংরক্ষণ করছে না। বরং সে বিশ্বে রাসুল (সা.)’র ভক্তদের মহব্বতকে ক্ষুণ্ন করার জন্য এতবড় আঘাত হেনেছে। সৌদি গ্রান্ড মুফতি ঈদে মিলাদুন্নবীকে হারাম বলে ফতোয়া দিয়ে কুরআন ও সুন্নাহর বাইরে এসে অনধিকার চর্চা করেছে। তিনি ইসলামি ঐক্যসহ এর বিভিন্ন দিক নিয়েও কথা বলেছেন।


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*

ইসলামের মহান সেনাপতি জে. কাসেম সোলাইমানি ও আবু মাহদি আল-মুহানদিস
We are All Zakzaky
conference-abu-talib
No to deal of the century