$icon = $this->mediaurl($this->icon['mediaID']); $thumb = $this->mediaurl($this->icon['mediaID'],350,350); ?>

শেষ মুহুর্তগুলোকে কিভাবে অতিক্রম করবে মানুষ

  • News Code : 667995
  • Source : ABNA
Brief

‘মৃত্যুর সময় মানুষ বাক শক্তি হারালেও তার চিন্তা শক্তি সোচ্চার থাকে। এ সময় সে চিন্তা করে যে, সে কি করেছে, কি ছিল এবং কি হয়েছে’।

আহলে বাইত বার্তা সংস্থা (আবনা) : হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা ওয়াহিদ খোরাসানি গতকাল (বুধবার ২৯শে জানুয়ারি) ইরানের পবিত্র কোম শহরে হযরত ফাতেমা মাসুমা (সালামুল্লাহি আলাইহা)-এর মাজার সংলঘ্ন মসজিদে আযামে প্রদত্ত তার তাফসিরের দরসে সূরা ইয়াসিনের তাফসির করতে গিয়ে বলেন : শরীর থেকে রুহ তথা আত্মা পৃথক হওয়ার সময় দু’টি বিষয় অত্যন্ত কঠিন ও অসহনীয় যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। প্রথমটি হচ্ছে, সাকারাতে মওত তথা শরীরের প্রতিটি কোষ থেকে রুহের পৃথক হওয়া।
বিশিষ্ট এ মারজায়ে তাকলিদ বলেন : সূরা ইয়াসিনে উল্লিখিত ((ما خلفكم)) বাক্যটির ব্যাখ্যা তাদের করা উচিত যারা তাশরি এবং তাকভিনের বিষয়ে অবগত। এ ক্ষেত্রে আমিরুল মু’মিনীন (আ.) এর শরণাপন্ন হওয়া যেতে পারে যে, তিনি আখেরাতের সফরকে কিভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।
মৃত্যু ও শরীর থেকে রুহ পৃথক হওয়ার মুহুর্তটি বর্ণনাহীন কষ্টের –এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন : আমিরুল মু’মিনীন ইমাম আলী (আ.) এর ভাষ্যমতে যা কিছু মৃত্যুর সময় এবং এর পর ঘটবে তা বর্ণনাহীন ও ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়...
আয়াতুল্লাহ ওয়াহিদ খোরাসানি বলেন : মৃত্যু পরবর্তী শোক হচ্ছে অপর এক বিষয়, যার মত কঠিন মুহুর্ত দৃষ্টান্তহীন। মানুষ ঐ সময় প্রচণ্ড শোক ও আফসোসে নিমজ্জিত থাকে। সে চিন্তা করে যে, সে কি হতে পারত এবং কি হয়েছে।
হাওযা ইলমিয়া কোমের বিশিষ্ট এ উস্তাদ মৃত্যুর কঠিন মুহুর্তগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন : মৃত্যু প্রথমে আমাদের বাক শক্তি কেড়ে নেয়; অর্থাত মুমুর্ষ ব্যক্তি দেখতে এবং শুনতে পায় কিন্তু কোন কিছুই করতে পারে না, এ অবস্থা অত্যন্ত কঠিন ও ভয়াবহ। মৃত্যুর সময় বাক শক্তি হারিয়ে ফেললেও মানুষের চিন্তা শক্তি সোচ্চার থাকে। আর এ সময় সে ভাবে যে, সে কি করেছে, কি ছিল এবং কি হয়েছে।
তিনি বলেন : কান ও চোখের শক্তি কেড়ে নেওয়ার পর রুহ শরীর থেকে পৃথক হয়। আর রুহ শরীর থেকে পৃথক হওয়ার সাথে সাথে পঁচতে শুরু করে।
আয়াতুল্লাহ ওয়াহিদ তার বক্তব্যের শেষে, আমিরুল মু’মিনীন আলী (আ.) এর একটি হাদিস উল্লেখ করে বলেন : মৃত্যুর পূর্বে যারা ঐ ব্যক্তির চতুর্পাশে ছিল মৃত্যুর পর তারাই তার লাশকে দ্রুত তুলে নিয়ে কাফন-দাফন করতে ব্যস্ত হয়; যাতে তার পঁচতে থাকা শরীর থেকে নির্গত দূর্গন্ধ তাদেরকে কষ্ট না দেয় এবং অবশেষে কবর নামের অন্ধকার এক গর্তে তাকে রেখে আসে।#


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*