আন্তর্জাতিক আল কুদস দিবস: প্রেক্ষাপট ও বর্তমান বাস্তবতা

  • News Code : 626896
  • Source : IRIB
Brief

আজ আন্তর্জাতিক আল কুদস দিবস। জুমাতুল বিদা বা রমজানের শেষ জুমার দিনটিকে কুদস দিবস হিসেবে পালন করা হয় ১৯৭৯ সাল থেকে।

আবনা : আজ আন্তর্জাতিক আল কুদস দিবস। জুমাতুল বিদা বা রমজানের শেষ জুমার দিনটিকে কুদস দিবস হিসেবে পালন করা হয় ১৯৭৯ সাল থেকে। আয়াতুল্লাহ ইমাম খোমেনী(র.) প্রবর্তিত এ দিনটির উদ্দেশ্য ছিলো, মুসলমানদের প্রথম কিবলা বায়তুল মুকাদ্দাসকে ইহুদিদের দখল থেকে মুক্ত করা। সেইসঙ্গে ফিলিস্তিনী জনগণের সাথে একাত্মতা ও ইহুদীবাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ। এবার পবিত্র রমজানে নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি বাহিনী আবারও জঘন্যতম গণহত্যা শুরু করায় ভিন্নতর আবহে পালিত হচ্ছে এবারের কুদস দিবস।
আল কুদস দিবসের প্রবর্তক ইমাম খোমেনীকে স্মরণ করে আল কুদস কমিটি বাংলাদেশের সভাপতি প্রফেসর ড. শাহ কাওছার মুস্তাফা আবুলউলায়ী বলেন, খোমেনীর মাধ্যমে যে আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল তাকে এখন আরও অগ্রসর  করতে হবে। কারও মধ্যে শৈথিল্য থাকা যাবে না। মুসলমানদের কোরআনের নির্দেশ মতো ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আর ঐক্যের অভাবের কারণেই মুসলিম বিশ্ব মার খাচ্ছে। ইসলাম বিরোধী শক্তি নানা কৌশলে মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে, এ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে হবে। ঐক্য না থাকলে মুসলমানদের ধ্বংসের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। শিয়া, সুন্নী,  সালাফী হিসেবে আলাদা থাকার সুযোগ নেই। কেন না ষড়যন্ত্রকারীরা এক দলকে অন্যের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে। প্রয়োজন শেষে আবার তাকেই ধ্বংস করে দিচ্ছে। তাই সময়মতো তা বুঝতে না পারলে সমগ্র মুসলিম জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই ঐক্যই হোক কুদস দিবসের মূল সুর।
ইসরাইলি হামলায় বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানীর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ জানান সাংবাদিক ও কলামিস্ট মোবায়েদুর রহমান। তিনি বলেন, যারা ফিলিস্তিনের মুসলমানদের ওপর হামলা করছে, তারা মানুষ নয় পশু। তাদের বিরুদ্ধে তাদের ভাষাতেই কথা বলতে হবে। মুসলিম বিশ্বকে এক হয়ে কথা বলতে হবে। আলোচনা কোনো সমাধানের পথ নয়, সেটা গত ৬৭ বছরে সবার বুঝতে পারার কথা। তাই ইরান, পাকিস্তান, তুরস্কসহ শক্তিধর মুসলিম দেশগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। বিশ্ব মুসলিমকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। তা না করতে পারলে নিজেদের রক্ষা করা যাবে না বলে মনে করেন এ বিশ্লেষক।
ফিলিস্তিনে বর্বর হামলার পরও সৌদি সরকারের নীরবতার সমালোচনা করেন এ সাংবাদিক। তিনি বলেন, সৌদি সরকারের উচিৎ ভোগ বিলাস থেকে বের হয়ে এসে নিজেদের সম্পদ ও ক্ষমতাকে মুসলিম নির্যাতন বন্ধ ও ঐক্য সৃষ্টিতে কাজে লাগাতে হবে। অবিলম্বে ফিলিস্তিনের ওপর হামলা বন্ধ ও মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য ইসরাইলের বিচারে জাতিসংঘকে বাধ্য করতে মুসলিম দেশগুলোর নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান মোবায়েদুর রহমান।#

 


আপনার মন্তব্য প্রেরণ করুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডসমূহ * এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে

*

ইসলামের মহান সেনাপতি জে. কাসেম সোলাইমানি ও আবু মাহদি আল-মুহানদিস
We are All Zakzaky
conference-abu-talib
No to deal of the century