ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনী (রহ.)-এর উদ্যোগে প্রতি বছরের পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবারকে বিশ্ব কুদস দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। গতকাল শুক্রবার ছিল ২৭তম রোজা।
পার্সটুডের তথ্য বলছে, ইসলামী ইরান এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের মুসলমানেরা কুদস দিবসের মিছিলে অংশগ্রহণ করে আবারও ফিলিস্তিনের নির্যাতিত ও নিপীড়িত জনগণের প্রতি সমর্থন এবং দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইলের খুন ও নৃশংসতার নিন্দা জানিয়েছেন।
কুদস দিবসের মিছিলে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি নেটিজেনদের নজর কেড়েছে।
টুইটারে সাদাত ফাল্লাহ নামের এক ব্যক্তি কুদস দিবসের মিছিলে জনগণের ব্যাপক উপস্থিতিকে অনন্য বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, "কুদস দিবস মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন।"
মেহরি সাফা নামের একজন ব্যবহারকারীও টুইটার বার্তায় গাজার শিশুদের উপর নিপীড়নের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, "গাজার নিষ্পাপ শিশুরা, আমরা তোমাদের ভুলিনি।"
আলি অগোহ নামের আরেকজন ইয়েমেনে কুদস দিবসের মিছিলে লক্ষ লক্ষ মানুষের উপস্থিতির একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন: "আমেরিকা রাতে তাদের উপর বোমাবর্ষণ করছে, কিন্তু ঠিকই তারা দিনের বেলায় কুদস দিবসের মিছিলে অংশ নিয়েছে! আল্লাহর কসম, ইয়েমেন আরবদের গর্ব।"
মানিজেহ সাদাত হোসেইনি নামের একজন নেটিজেন ন্যায়বিচার এবং সত্য পন্থার কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, "নিঃসন্দেহে, আমরা সত্যের পক্ষে, অর্থাৎ গাজার পক্ষে।"
বাহারজাদ হলেন আরেকজন এক্স-নেটওয়ার্ক বা টুইটার ব্যবহারকারী যিনি কুদস দিবসের মিছিলে বাবা ও সন্তানদের একসঙ্গে অংশ নেওয়ার তথ্য উল্লেখ করে লিখেছেন: "এসব বাবারা গাজার শিশুদের নিয়ে উদ্বিগ্ন, তাদের স্বাধীনতা এবং শান্তি সম্পর্কে উদ্বিগ্ন।"
জেইনাব হাজিজাদেহ নামের একজন ব্যবহারকারী গাজার শিশুদের একটি ছবি পোস্ট করে টুইট করেছেন। তিনি লিখেছেন, "গাজার সতেরো হাজার শহীদ শিশুর প্রতি দরুদ ও সালাম। তারা নিষ্পাপ অবস্থায় আকাশে উড়াল দিয়েছে।"
মেহরান রাজাবি তার এক্স পেজে লিখেছেন, "আমরা এমন এক সময়ে আছি যখন দখলদার ও শিশু-হত্যাকারী ইসরাইলের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ না করে উপায় নেই। এই দখলদার শক্তির প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করাটাই এখন সম্মান এবং স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।"
নিলুফার আব্বাসজাদেহ নামের একজন নেটিজেন আন্তর্জাতিক কুদস দিবসের মিছিলে অংশগ্রহণের জন্য ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আহ্বানের কথা উল্লেখ করে তার এক্স পেজে লিখেছেন, "সর্বোচ্চ নেতা যেমনটি আশা করেছিলেন ঠিক সেভাবেই কুদস দিবসের এবারের মিছিলটি সবচেয়ে গৌরবময় এবং সম্মানজনক মিছিলগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।"
মোহাম্মদ রেজা আলীখানি নামের আরেক নেটিজেন বিশ্ব কুদস দিবসের মিছিলে অংশগ্রহণকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, "জনপ্রিয় প্রতিরোধ সংগ্রামকে ধ্বংস করার জন্য প্রচারণা এবং যুদ্ধের পেছনে আমেরিকার কোটি কোটি ডলারের আজকের ফসল হলো বিশ্ব কুদস দিবসে ইরানে সর্বসেরা, সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও সবচেয়ে গৌরবময় মিছিলগুলোর একটি যা আমরা প্রত্যক্ষ করেছি।#
342/
Your Comment