আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): বিশ্ব মিডিয়ার রহস্যজনকভাবে নিরব থাকলেও সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে বিশ্ববাসী এখন আরবাইন তথা ইমাম হুসাইন (আ.) এর চল্লিশার শোকানুষ্ঠানে কয়েক কোটি মানুষের অংশগ্রহণের কথা জানে।
কিন্তু ঠিক তার এক সপ্তাহ পরে আরেকটি মহাসমাবেশ যে ইরাকের নাজাফে আশরাফ শহরে অবস্থিত আমিরুল মু’মিনীন (আ.) এর মাজারকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয় তার খবর কয়জনই বা রাখে।
আহলে বাইত (আ.) এর শোকে শোকার্ত ব্যক্তিরা এক সপ্তাহ পূর্বে সাইয়্যেদুশ শোহাদা ইমাম হুসাইন (আ.) ও তার বিশ্বস্ত সহোদর হজরত আব্বাস (আ.) এর মাজার কারবালাতে সমবেত হয়ে কারবালার শহীদদের শাহাদাতের ৪০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আযাদারী করেছেন। আজ (বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর) আজাদাররা মহানবি হজরত মুহাম্মাদ (স.) এর ওফাত এবং তাঁর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হাসান (আ.) এর শাহাদাত উপলক্ষে নাজাফে অবস্থিত আমিরুল মু’মিনীন আলী (আ.) এর মাজারে সমবেত হয়েছেন।
ইরাকের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আজ ২৮ সফর মহানবি হজরত মুহাম্মাদ (স.) এর ওফাত ও তাঁর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র ইমাম হাসান (আ.) এর শাহাদাত বার্ষিকী।
বিশ্বব্যাপী কোরোনা সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক তৎপরতাকে প্রভাবিত করলেও আহলে বাইত (আ.) এর প্রতি ভালবাসার জোয়ারকে রুখতে পারেনি। আরবাইনের মত ২৮ সফরের শোক অনুষ্ঠানে পায়ে হেটে নাজাফে আমিরুল মু’মিনীন (আ.) এর মাজার যেয়ারত করতে এসেছেন আযাদাররা। তারা মহানবি (স.) এর ওফাত এবং ইমাম হুসাইন (আ.) এর শাহাদাতের দিনে প্রথম ইমাম হজরত আলী ইবনে আবি তালিব (আ.) এর সাথে কৃত অঙ্গীকার নবায়ন করবেন এবং এ দুই মহান ব্যক্তিত্বের ওফাত ও শাহাদাতে শোক পালন করবেন।
ইরাকের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে আসা যায়েরদের আপ্যায়নের দায়িত্ব থাকা কারবালা শহরের স্বেচ্ছাসেবীরা ২৮শে সফর আমিরুল মু’মিনীন আলী ইবনে আবি তালিব (আ.) এর মাজার যেয়ারত করতে নাজাফে আসেন। এ সময় নাজাফের জনগণ তাদের আপ্যায়নের দায়িত্ব নেন।
প্রসঙ্গত, প্রতি বছর লাখো যায়েরের উপস্থিতিতে ২৮শে সফর মহানবি (স.) এর ওফাত ও ইমাম হাসান (আ.) এর শাহাদাত বার্ষিকীর শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।#176
(তথ্যসূত্র: ইরনা)