ইরানি মুখপাত্র আরও বলেছেন, আফগানিস্তানও হিরমান্দ নদীর পানিতে ইরানের ন্যায্য হিস্যার বিষয়টিকে মেনে নিয়েছে এবং সমরকন্দে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ বৈঠকে এ বিষয়টির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
১৯৭২ সালে ইরান ও আফগানিস্তানের মধ্যে হিরমান্দ নদী সংক্রান্ত চুক্তি সই হয়। ঐ চুক্তি অনুযায়ী হিরমান্দ নদী থেকে প্রতি বছর ৮২ কোটি ঘনমিটার পানি পাওয়ার কথা। আফগানিস্তানের সাবেক সরকার ইরানের পানির হিস্যার কথা স্বীকার করলেও 'কামাল খান' বাধ নির্মাণের মাধ্যমে কার্যত এ ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্কের ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
তিনি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ককে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে তেহরান। এ কারণে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি সব সময় পররাষ্ট্র নীতিতে গুরুত্ব পেয়ে এসেছে।#
342/