প্রকৃতপক্ষে মানবাধিকারের কথিত রক্ষকরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কিছু অপরাধকে বড় করে তুলে ধরে ওই যুদ্ধের অন্যান্য অপরাধযজ্ঞকে ধামাচাপা দিয়ে রেখেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সবচেয়ে বড় যে অপরাধ ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে তা হচ্ছে, জাপানের দু’টি শহরে আমেরিকার ভয়াবহ পরমাণু বোমা হামলা। এর পরিবর্তে তারা হোলোকাস্ট নামক একটি অজুহাত সৃষ্টি করেছে যাতে ফিলিস্তিনি জনগণের ভূমি জবরদখল করা যায়। কিন্তু তারা কখনও অন্য কোনো অপরাধ নিয়ে মাথা ঘামায়নি।
উদাহরণস্বরূপ, যখন কোরীয় যুদ্ধের সূচনা হয়, তখন আমেরিকার হস্তক্ষেপে কমপক্ষে আট লাখ সেনা ও ১৫ লাখ বেসামরিক মানুষ নিহত হয়। কিন্তু এত বড় গণহত্যার কথা মানবাধিকারের কথিত রক্ষকরা একবারও মুখ দিয়ে উচ্চারণ করে না।
কোরীয় যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মার্কিন সেনা কমান্ডার কুর্টিস লিমে বলেন: “আমরা সেখানে গিয়ে উত্তর কোরিয়ার সকল শহরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছি....তিন বছর বা তার কিছু বেশি সময়ে কোরিয়ার ২০ শতাংশ মানুষ নিহত হয়।”
আমেরিকা ১৯৫০ এর দশকে ভিয়েতনামে আরেকবার তার গণহত্যা মেশিন চালু করে। সেখানে তারা ২০ বছরে কমপক্ষে ২০ লাখ বেসামরিক নাগরিক ও ১০ লাখ সৈন্যকে কচুকাটা করে। ৩০ লাখ আদম সন্তানের এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারেও মানবাধিকারের কথিত রক্ষকরা নীরব।
342/