বুধবার ইসরাইলি সেনাবাহিনী তাদের সর্বশেষ বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে যে তারা গত সপ্তাহে গাজা উপত্যকায় ৪৩০টি বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বোমা হামলা চালিয়েছে। পার্সটুডে-র মতে, ইসরাইলি শাসকগোষ্ঠীর এইসব হামলা ১৮ মার্চ থেকে শুরু হয়েছিল, যা যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন।
২৬ জন ফিলিস্তিনির শাহাদাত
এই প্রেক্ষাপটে, বুধবার গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলের হামলায় কমপক্ষে ২৬ জন শহীদ হয়েছেন। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে যে ১৮ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের হামলায় শহীদের সংখ্যা ৮৩০ জনে পৌঁছেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে কমপক্ষে ১,৭৮৭ জন আহত হয়েছেন।
হামাস মুখপাত্রের শাহাদাত
স্থানীয় সূত্রগুলো উত্তর গাজা উপত্যকার জাবালিয়া শহরে ইসরাইলি হামলায় হামাস মুখপাত্র আব্দুল লতিফ আল-কানুয়ার শহীদ হওয়ার খবর দিয়েছে।
গাজায় পণ্য ও জ্বালানির অভাব
গাজায় অবস্থিত ফিলিস্তিনি সরকারের তথ্য অফিসও এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে: "গাজার ক্রসিং পয়েন্ট বন্ধ করে দেওয়ার ফলে ২৪ লক্ষ ফিলিস্তিনির জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।" ক্রসিং বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে গাজার ৮৫% বাসিন্দা তাদের খাদ্যের প্রধান উৎস থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বাজারে পণ্য নেই যার বিপজ্জনক পরিণতে দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। জ্বালানির অভাব এবং দখলদারদের গাজায় প্রবেশে বাধার কারণে কয়েক ডজন রুটির দোকান বন্ধ হয়ে গেছে। গাজার নব্বই শতাংশেরও বেশি বাসিন্দার পানীয় জলের সুবিধা নেই।
প্রতিরোধ শক্তির প্রতিক্রিয়া
ইসরাইলের আক্রমণের জবাবে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো কৌশলগত "নেতজারিম" বিমান ঘাঁটি লক্ষ করে হামলা চালিয়েছে। #
342/
Your Comment