আবনা : ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নতুন করে অন্তত ৫০০ যাত্রীবাহী বিমান কিনবে এবং এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি বিমান দেশটির বহরে যোগ হয়েছে। এছাড়া, ইরানের বহরে নতুন বিমান সরবরাহ করার জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এসব খবরের পর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বলতে শুরু করেছে যে, ইরানের ওপর আরোপিত পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ধসে পড়তে শুরু করেছে। এ নিয়ে ব্লুমবার্গ টেলিভিশন এক প্রতিবেদনে বলেছে, যখন ইরান ও ছয় জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে চূড়ান্ত পরমাণু চুক্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে তখন মনে হচ্ছে তেহরানের ওপর থেকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার বিষয়ে বিশ্ব অধৈর্য হয়ে পড়েছে।
ইরান নতুন করে যেসব বিমান কিনতে চাইছে তার বেশিরভাগ বেসরকারি বিমান সংস্থা ‘মহন’ নিয়ে নেবে বলে খবর রয়েছে। এ খবরকে উদ্ধৃত করে ব্লুমবার্গ বলেছে, ‘মহন’ কোম্পানির বিমান কেনার প্রয়োজনীয়তা ও আলোচনা থেকে পরিষ্কার হয়েছে, পরমাণু চুক্তিকে সামনে রেখে কীভাবে নিষেধাজ্ঞা ধসে পড়তে শুরু করেছে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে চূড়ান্ত পরমাণু চুক্তি করতে হবে বলে সময়সীমা বেধে দেয়া হয়েছে।
এ সময় শেষ হওয়ার আগেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষণা করেছেন- তার দেশ ইরানকে এস-৩০০ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করবে। অন্যদিকে, পশ্চিমা বহু তেল কোম্পানি ইরানে ফিরে আসার উপায় নিয়ে এরইমধ্যে তেহরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। এছাড়া, মার্কিন বোয়িং কোম্পানি ইরানকে বিমান সরবরাহ করবে বলে কথাবার্তা শুরু করেছে।#