৮ জুন ২০১৫ - ০০:৪৯
তারাবির নামাজ হারাম : আইএসআইএস

ইরাকের মসুল ও লিবিয়ার দারনা শহরে তারাবির নামাযকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে আইএসআইএসের এক বিবৃতিতে।

আহলে বাইত বার্তা সংস্থা (আবনা) : এ নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য মসুলের সকল মসজিদের পেশ ইমামগণের প্রতি কঠোর নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। বিবৃতিতে এও উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্দেশ অমান্যকারীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

বিশিষ্ট ইরাকি মুফতি শেখ আদনান এ সম্পর্কে জানিয়েছেন : সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএস আল্লাহ ও তাঁর নবী (স.) এর সাথে সম্পৃক্ত বিষয়াদিতেও হস্তক্ষেপ শুরু করেছে। এমনকি তারা নামাজ এবং ইফতারের সময়সূচীতেও পরিবর্তন এনেছে।

তার সংযোজন : পবিত্র রমজান মাসে পরিদর্শন ও ইফতারের পর কেনাকাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে সন্ত্রাসী এ দলটির পক্ষ থেকে।

 

এদিকে, মিশরের আদ-দাসতুর ওয়েব সাইটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দারনা শহরে আইএসআইএসের হাতে বাইয়াত করেছে ‘শাবাবুল ইসলাম’নামক তাকফিরি এক দলের সকল সদস্য।

এ দলটিও তারাবির নামাজকে হারাম ঘোষণা করে বলেছে : মহানবি (স.) এর সুন্নত বিরোধী ও বিদয়াত হওয়ার কারণে তারাবির নামাজ আদায় করা হারাম।

দলটি আত্মপ্রকাশের ঘোষণার পরপরই এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছিল, এরপর থেকে ঐতিহাসিক এ শহরে ইসলামি বিধান (!) জারি করা হবে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, জনগণের ঝগড়া ও বিবাদের মিমাংসা করতে দারনা শহরের জনগণের জন্য একটি শরিয়া কমিটি গঠন করা হয়েছে।

লিবিয়ার সন্ত্রাসী এ দলটি অপর যে সকল আইন প্রণয়ন করেছে সেগুলোর মধ্যে পৃথক পৃথক দিনে ছাত্র ও ছাত্রীদের শিক্ষাঙ্গনে উপস্থিতি, ধুমপান এবং পুরুষ শিক্ষক কর্তৃক মেয়ে শিক্ষার্থীদেরকে পাঠদান এবং নারী শিক্ষক কর্তৃক ছেলে শিক্ষার্থীদেরকে পাঠদানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ (সকল বয়সের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য), নারী ও পুরুষের কেনাকাটার জন্য আলাদা আলাদা সময় নির্ধারণ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য, পবিত্র রমজান মাসে প্রতি রাতে সুন্নি মুসলমানরা এশার নামাযের পর তারাবির নামায আদায় করে থাকেন।# বারাসা, ইকনা, আদ-দাস্তুর