২৭ জুলাই ২০১৬ - ১৫:১৮
কল্যাণপুরে নিহত ৭ ‘জঙ্গি’ শনাক্ত

বাঁ থেকে (উপরের সারিতে)- দিনাজপুরের মো. আব্দুল্লাহ, পটুয়াখালীর আবু হাকিম নাইম , ঢাকার ধানমণ্ডির তাজ-উল-হক রাশিক; নিচের সারিতে- ঢাকার গুলশানের আকিফুজ্জামান খান, ঢাকার বসুন্ধরার সেজাদ রউফ অর্ক, সাতক্ষীরার মতিউর রহমান এবং নোয়াখালীর জোবায়ের হোসেন

আবনা ডেস্ক: ঢাকার কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে নিহত নয়জনের মধ্যে সাতজনকে শনাক্ত করা গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জাতীয় পরিচয়পত্র এবং আঙ্গুলের ছাপ মিলিয়ে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায় বলে বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
নিহতরা হলেন - দিনাজপুরের আব্দুল্লাহ (২৩), পটুয়াখালীর আবু হাকিম নাইম (২৪), ঢাকার ধানমণ্ডির তাজ-উল-হক রাশিক (২৫), ঢাকার গুলশানের আকিফুজ্জামান খান (২৪), ঢাকার বসুন্ধরার সেজাদ রউফ অর্ক (২৪), সাতক্ষীরার মতিউর রহমান (২৪) এবং নোয়াখালীর জোবায়ের হোসেন (২২)।
এদের মধ্যে সেজাদ রউফ যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টধারী। গত ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ এই যুবক গুলশানে ক্যাফেতে হামলাকারী নিবরাজ ইসলামের বন্ধু ছিলেন।
মঙ্গলবার ভোরে কল্যাণপুরের অভিযানে নয়জন নিহত হওয়ার পর রাতে তাদের ছবি (রক্তাক্ত লাশের ছবি। অপ্রাপ্তবয়স্কদের দেখার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের নির্দেশনা নেওয়ার অনুরোধ করা হল) প্রকাশ করে তাদের পরিচয় শনাক্ত করতে সবার কাছে তথ্য চেয়েছিল পুলিশ।
ডিএমপি জানায়, প্রকাশিত লাশের ছবির প্রথমজন হলেন আব্দুল্লাহ। তিনি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার ব্ল্লভপুর গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে।
তালিকার দ্বিতীয় ছবিটি আবু হাকিম নাইমের। তিনি পটুয়াখালীর কুয়াকাটার নুরুল ইসলামের ছেলে।
তৃতীয় ছবিটি তাজ-উল-হক রাশিকের। তিনি ঢাকার ধানমণ্ডির ১১/এ নম্বর সড়কের রবিউল হকের ছেলে।
চতুর্থ ছবিটি আকিফুজ্জামান খানের। তিনি গুলশানের ১০ নম্বর সড়কের ২৫ নম্বর বাড়ির সাইফুজ্জামান খানের ছেলে।
ষষ্ঠ ছবিটি সাজাদ রউফ অর্কের। তার বাবা তৌহিদ রউফের ঠিকানা দেওয়া হয়েছে ৬২ পার্ক রোড, বাসা নং-৩০৪, রোড নং-১০, ব্লক-সি, ফ্ল্যাট নং-০৯, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা।
সপ্তম ছবিটি মতিয়া রহমানের বলে পুলিশ জানিয়েছে। তিনি সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ওমরপুর গ্রামের নাসিরউদ্দিন সরদারের ছেলে।
অষ্টম ছবিটি জোবায়ের হোসেনের। তিনি নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলার পশ্চিম মাইজদীর আবদুল্লাহ মেম্বারের বাড়ির আব্দুল কাইউমের ছেলে।
নয়টি ছবির পঞ্চম ও নবম জন এখনও অশনাক্ত অবস্থায় রয়েছেন।