১০ জানুয়ারী ২০২৬ - ১৬:৫২
পরাজয় ঢাকতে শত্রুরা ইরানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির কৌশল করেছে

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল আব্দুর রহিম মুসাভি বলেছেন, ২০২৫ সালের জুনে সংঘটিত তথাকথিত ১২ দিনের যুদ্ধে পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠী ইরানের ভেতরে অস্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টিকে তাদের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছে।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান বলেন, “চাপিয়ে দেওয়া ১২ দিনের যুদ্ধে পরাজয়ের ক্ষতিপূরণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্ট শাসনব্যবস্থা সফট ওয়ারের কৌশল ব্যবহার করে দেশে বিশৃঙ্খলা ও দাঙ্গা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে।”




জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “যখন তারা ওই চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে ফলহীন আগ্রাসনের মাধ্যমে চূড়ান্ত পরাজয়ের মুখোমুখি হয় এবং হতাশ হয়ে পড়ে, তখন অর্থনৈতিক চাপ ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের উপকরণ ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে, যাতে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করা যায়।”


মেজর জেনারেল মুসাভি জানান, “কিছু ব্যবসায়ী যখন ন্যায্য ও বৈধভাবে রিয়ালের বিনিময় হার স্থিতিশীল করা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতির দাবিতে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন, তখন শত্রুপক্ষ তড়িঘড়ি করে প্রশিক্ষিত অপারেটরদের মাঠে নামায়। তারা শান্তিপূর্ণ ওই প্রতিবাদকে অপব্যবহার করে মনস্তাত্ত্বিক অভিযান ও জ্ঞানভিত্তিক যুদ্ধকৌশলের মাধ্যমে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করে।”

তিনি বলেন, “তবে সৌভাগ্যক্রমে, শত্রুর প্রকৃতি সম্পর্কে সচেতন ইরানি জনগণ দাঙ্গাকারীদের থেকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্টভাবে আলাদা রাখতে সক্ষম হয়েছে।”

পরিশেষে তিনি বলেন, “জনগণের সহযোগিতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দাঙ্গাকারীদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দেবে। একই সঙ্গে ইরানি জাতি তাদের বিপ্লবী সচেতনতা ও সংযত আচরণের মাধ্যমে সেইসব ব্যক্তির উপযুক্ত জবাব দেবে, যারা এই জাতির সঙ্গে অশোভন ও অসম্মানজনক ভাষায় কথা বলে।”

Tags

Your Comment

You are replying to: .
captcha