১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ - ১৫:২৭
ইরানে হামলা হলে মার্কিন ঘাঁটি বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে

যদি ইরান সামরিক আগ্রাসনের মুখোমুখি হয়, তাহলে ‘ইরানের প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি, সুযোগ-সুবিধা ও সম্পদ বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে’।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): ইরান বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে মার্কিন ঘাঁটি, সুযোগ-সুবিধা ও সম্পদকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।


জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি এক চিঠিতে এই মন্তব্য করেছেন। চিঠিটি জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির কাছে পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, ইরান যদি চুক্তি না করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রকে ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপসহ যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করতে হতে পারে।

ইরাভানি চিঠিতে লিখেছেন, ট্রাম্পের এমন বক্তব্য সামরিক আগ্রাসনের ঝুঁকি তৈরি করছে, যা পুরো অঞ্চলের জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ইরান ‘কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি’ এবং ‘পারস্পরিক ভিত্তিতে তার শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে অস্পষ্টতা মোকাবেলায়’ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তবে ইরাভানি সতর্ক করে বলেছেন যে, যদি ইরান সামরিক আগ্রাসনের মুখোমুখি হয়, তাহলে ‘ইরানের প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি, সুযোগ-সুবিধা ও সম্পদ বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে’।

এদিকে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেছে, ইরানের হাতে সর্বোচ্চ ১৫ দিন সময় রয়েছে চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য। অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।

Tags

Your Comment

You are replying to: .
captcha