১৭ জুলাই ২০১০ - ১৯:৩০

ইরাকের নিরাপত্তা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ খবরের মধ্যে মোসুল শহরের প্রাণকেন্দ্রে একটি গাড়ী বোমা বিস্ফোরণ, নাইনাওয়া অঞ্চলে আল কায়েদার শীর্ষস্থানীয় নেতাসহ সম্প্রতি কারবালায় বিস্ফোরণের ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে আরো ১৫ জনের একটি চক্র এবং বা’কুবাতে ২৫ জন সন্দেহজনক ব্যক্তি গ্রেপ্তারের খবর উল্লেখযোগ্য।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট: নাইনাওয়া প্রদেশের প্রাণকেন্দ্র মোসুল শহরে এক গাড়ীবোমা বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১০ জন ইরাকী বেসামরিক লোক আহত হয়েছে। নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে বিস্ফোরক ভর্তি এ গাড়ীটি মোসুল শহরের প্রাণকেন্দ্র ‘কাসরুল মাতারান’ অঞ্চলে পার্ক করা অবস্থায় সন্ত্রাসী গাড়ীটিতে বিস্ফোরণ ঘটায়। ইরাক সরকার ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী নাইনাওয়া প্রদেশ ইরাকের অস্থিতিশীল প্রদেশগুলোর অন্যতম এবং প্রতিদিন এ প্রদেশের কোন না কোন স্থানে বিস্ফোরণ ঘটছে অথবা নিরাপত্তা বাহিনী বা বেসামরিক লোকদের উপর সন্ত্রাসী হামলা হচ্ছে। এছাড়াও এ প্রদেশ বর্তমান সরকার –যারা আল হোদাবা’র কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে- এবং নাইনাওয়া গ্রুপের মধ্যে সৃষ্ট রাজনৈতিক টানাপোড়নের শিকার। আরবরা অধিকাংশই আল হোদাবা’র সমর্থক এবং নাইনাওয়া দলের অধিকাংশ সমর্থক হচ্ছে কুর্দী। মোসুল শহরে আল কায়েদার শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার নাইনাওয়ার এক নিরাপত্তা সূত্র গতকাল ঘোষণা করেছে যে, পুলিশ সৌদি নাগরিক আল কায়েদা শীর্ষ নেতাকে মোসুল শহরের পশ্চিম অঞ্চল হতে গ্রেপ্তার করেছে। এ সূত্র আস সুমরিয়া বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছে, সৌদি নাগরিক, শীর্ষ সন্ত্রাসী আল কায়েদা নেতা মাহমুদ মুহাম্মাদ সালামাহ বাখিত পুলিশ বাহিনীর সাথে দীর্ঘক্ষণ সংঘর্ষের পর গ্রেপ্তার হয়েছে। এ সূত্রের বরাত দিয়ে আরো জানা গেছে এ সংঘর্ষে ৩ জন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছে। এ বিপদজনক সন্ত্রাসী ২০০৬ সালেও গ্রেপ্তার হয়েছিল কিন্তু সে পুলিশ কাস্টডি হতে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। সম্প্রতি পবিত্র কারবালায় বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৫ জন গ্রেপ্তার কারবালা প্রদেশের পুলিশ প্রধান, এ শহরের সম্প্রতি বিস্ফোরণের ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহ একটি সন্ত্রাসী দলের গ্রেপ্তার হওয়ার তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন: ১৫ জনের এ সন্ত্রাসী দলটি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ইরাকের অপর এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছে: বাকুবা শহরে আল কায়েদা জঙ্গি বাহিনীর সাথে জড়িত সন্দেহে ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত পরশু পলাতক ২৫ জন আসামীকে দিয়ালা প্রদেশ হতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে যাদের মধ্যে একজন আল কায়েদা নেতাও রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া আল কায়েদার এ সদস্য ২৪টি সন্ত্রাসী হামলার কথা স্বীকার করেছে। অপর দিকে স্বৈরাচারী সাদ্দামের জন্মভূমি তিকরিতে একটি বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ী উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। #