১৮ অক্টোবর ২০১০ - ২০:৩০

আলজেরিয়ার রাজধানীর মুসুল্লীরা ঘুষ সংক্রান্ত নতুন এক ফতওয়ার সম্মুখীন হয়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ়। এ ফতওয়ায় ঘুষ প্রদানের শরয়ী বৈধতা দেয়া হয়েছে।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট: ‘শেইখ সালমান বিন ফাহাদ’ নামক আলজেরিয়ার এক মুফতি ফতওয়া দিয়েছে যে, কোন কার্যালয়ের প্রধান বা এমন কোন কর্মকর্তাকে যে কোন ব্যক্তির সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম, তবে এ ক্ষেত্রে নগদ অর্থ প্রদান করে আইনগত ও শরয়ী অধিকার গ্রহণ করা যায়।

এ শরয়ী ফতওয়া প্রদানের ক্ষেত্রে উক্ত মুফতি মজার একটি দলিলও দাঁড় করিয়েছে। তার মতে প্রতিটি ব্যক্তির শরয়ী ও আইনগত অধিকার সম্মানিত। যদি এ অধিকার সামান্য অর্থ প্রদানের বিনিময়ে আদায় করা সম্ভব হয় তবে তাতে কোন সমস্যা নেই।

আলজেরিয়ার আরেক মুফতি শেইখ বিন জাবরিনও একই ধরনের ফতওয়া দিয়েছে যে, রপ্তানীকারক ও আমদানী কারকগণ দ্রুত তাদের অধিকার আদায় (অর্থা কাস্টমস হতে মালামাল আমদানি ও রপ্তানী করা) করার ক্ষেত্রে কাস্টমস অফিসার ও সীমান্ত রক্ষীদেরকে অর্থ প্রদান করায় কোন সমস্যা নেই।

বিন জাবরিনের জানিয়েছেন যে, এ ফতওয়া শুধুমাত্র পণ্য রপ্তানী ও আমদানি করার জন্য প্রযোজ্য এবং অবৈধ পণ্যের জন্য কোন প্রকার ফতওয়া তিনি দান করেন নি।

এ ফতোয়া আলজেরিয়াসহ এ দেশের অন্যান্য শহরের মুসুল্লীদের মাঝে প্রচার করা হয়। আলজেরিয়ার আওকাফ ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী উক্ত ফতওয়া সম্বলিত লিফলেটগুলোকে আটকে দিয়ে এবং এগুলোর পূনরায় কপি না করে উক্ত ফতওয়া প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানিয়েছেন। কেননা এ ফতোয়া সমাজে ব্যাপক আকারে ফাসাদের সৃষ্টি করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।#