৯ অক্টোবর ২০১০ - ২০:৩০

এ শহরে বর্তমানে নামাযের পূর্বে মসজিদের মিনার হতে আযার ধ্বনি ভেসে আসে। মুসলিম নারীদের ইসলামি পর্দা করার বেপর্দা নারীদের সংখ্যা লক্ষ্যণীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। এমনকি কিছু কিছু অমুসলিম নারীও ইসলামি পর্দা পরিধান করে।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট: চীনের ‘হানান’ অঞ্চলের ‘কাইং’ শহরটি ইয়েলো সী’র তীরে অবস্থিত। শহরটি দীর্ঘ ৪০০ বছরের বেশী সময় যাবত একটি ইহুদী শহর নামে খ্যাত হলেও বর্তমানে এ অঞ্চলের মুসলমানদের তত্ত্বাবধানাধীন। মুসলমানরা কয়েকটি মসজিদ নির্মাণ এবং এ শহরে ইসলামি সংস্কৃতি ও রীতি-প্রথা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইসলামি আহকামের (মাসআলা মাসায়েল) বাস্তবায়ন করছে।

বিশ্বে প্রথমবারের মত নারীদের জন্য মসজিদ নির্মিত হয়েছে এ শহরে। শহরের বিভিন্ন দেয়ালে লেখা ইসলামি বাণীগুলো চোখে পড়ার মত। একজন নারীর ইমামতিতে এ শহরের নারীদের বিশেষ জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যা বিশ্বে নজীর বিহীন।

আল-কুদস আল-আরাবী’র বর্ণনা অনুযায়ী নামাযের পূর্বে এ শহরের বিভিন্ন প্রান্ত হতে আযানের ধ্বনি ভেসে আসে। নামাযের সময় অনেক ব্যবসায়ীকেই দেখা যায় তারা নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনেই কেবলা মুখী হয়ে নামায আদায় করছে।

পর্দানশীন নারীদের উপস্থিতির বিষয়টি সকলের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। কেননা পর্দানশীন নারীদের উপস্থিতির কারণে বর্তমানে বেপর্দা নারীদের সংখ্যা লক্ষ্যণীয় হারে হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে পর্দানশীন নারীদের প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে কিছু কিছু অমুসলিম নারীও ইসলামি হেজাব পরিধান করছে।

এ শহরের স্কুল সমূহেও বিশেষ ইসলামি সংস্কৃতির প্রভাব পরিলক্ষিত। কেননা পবিত্র কোরআনের শিক্ষা এ শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের মূল পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

শেষে ‘আল-কুদস আল-আরাবী’ যে শিরোনাম এ লেখার জন্য নির্বাচন করেছে তা অত্যন্ত আকর্ষণীয় : ‘যদি এমন হত আরবি সরকারগুলো এ আদর্শ শহর হতে শিক্ষা নিত যে, একটি ইসলামি শহরকে কিভাবে পরিচালনা করতে হয়?!#