৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১ - ২০:৩০

আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তিউনিশিয়া ও মিসরের জনগণের বিক্ষোভের প্রতি ইশারা করে আজারবাইজানের এ ধরণের গণ অভ্যূত্থানের ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট: আমেরিকার আভিস্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ‘মাইকেল তাকাচিক’ গণপ্রজাতন্ত্রী আযারবাইজানের বার্তা সংস্থা ‘তুরান’কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেছেন: অর্থনৈতিক দূর্নীতি, সরকার বিরোধীদের উপর চাপ প্রয়োগ, অর্থনৈতিক সমস্যা ও জনগণের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ ইত্যাদি বিষয়ের কারণে এ দেশে গণ বিক্ষোভের সম্ভাবনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ের এ শিক্ষক বলেন: গণপ্রজাতন্ত্রী আযারবাইজান সরকার যে মোটা অংকের অর্থ তেল বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্জন করে তার খুবই নগন্য একটি অংশ এদেশের জনগণের ভাগ্যে জোটে।

তিনি বলেন: স্বৈরাচারীরা নিজেদের স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে দীর্ঘ দিনের জন্য পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর উপর আস্থাশীল হয়ে তাদের স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হবে না।

তিনি এমন অবস্থায় এ মন্তব্য করলেন যখন সাম্প্রতিক আযারবাইজানের রাজধানী ‘বাকু’র বেশ কিছু দল ও সংগঠন মিসর ও তিউনিশিয়ার জনগণের গণবিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আযারবাইজনের জনগণকে গণ বিক্ষোভের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে আযারবাইজান কর্তৃপক্ষ স্বৈরাচারী মিসর ও তিউনিশিয়া সরকারের ইসলাম বিরোধী, হিজাব বিরোধী পদক্ষেপ গ্রহণ, অর্থনৈতিক দূর্নীতিসহ অন্যান্য বিষয়ে সরকারের নীতির বিষয়ের প্রতি –যে বিষয়গুলো এদেশের গণ বিক্ষোভ ও সরকারের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে- কোনরূপ ভ্রুক্ষেপ না করে আযারবাইজানের সমস্যাদি মিসর ও তিউনিশিয়ার সাদৃশ্য নয় বলে উল্লেখ করেছেন।

আযারবাইজানের ভাইস প্রেসিডেন্ট আলী হাসানোভ তিউনিশিয়ার গণ বিপ্লবকে উপহাস করে বলেন: গণপ্রজাতন্ত্রী আযারবাইজান সরকার বিরোধীদেরকে এমন সবজি বিক্রেতার সন্ধান হতে বিরত থাকতে বলছি যে নিজের শরীরে অগ্নি সংযোগ করে।

উল্লেখ্য, বাকু সরকার বিরোধীরা এ শহরের খুরদালান অঞ্চলে অবস্থিত মিসরের স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের মূর্তি ভেঙ্গে ফেলার অনুমতি দাবী করার পর এ শহরের পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী’র সদস্যরা মোবারকের মূর্তিকে শিঁকল দিয়ে ঘিরে রেখেছে এবং সেখানে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।#