আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট: ইয়েমেনের স্থানীয় পরিষদের সদস্য ‘মুহসেন সালেম সাঈদ’ বলেছেন: উক্ত বিস্ফোরণে দুই শিশুসহ ৭০ জন নিহত এবং কমপক্ষে ৯০ জন আহত হয়েছে।
ঐ সূত্র আরো জানিয়েছে যে, আহতদের মধ্যেও বেশ কয়েকটি শিশু রয়েছে।
ইয়েমেনের একটি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে, মুখোশ পরিহিত একদল সশস্ত্র ব্যক্তি –ধারণা করা হচ্ছে তারা ছিল আল কায়েদা সংগঠনের সদস্য- গত শনিবার উক্ত কারখানায় প্রবেশ করে অস্ত্রভর্তি বেশ কয়েকটি বক্স লুট করে নিয়ে যায়। আজও ইয়েমেনের শত শত লোক ঐ কারখানায় বিদ্যমান বিভিন্ন মালামাল নেয়ার জন্য হামলা চালালে এ বিস্ফোরণ ঘটে।
নিরাপত্তা বিভাগের এক কর্মকর্তা গতকাল ঘোষণা করেছেন যে, আল কায়েদা জঙ্গিরা ইয়েমেনের সামরিক বাহিনী’র সাথে তুমুল সংঘর্ষের পর ‘জায়ার’ শহরটি দখল করে নিতে সক্ষম হয়েছে।
ইয়েমেনের কিছু কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে, স্বৈরাচারী ‘আলী আব্দুল্লাহ সালেহ’ ইচ্ছাকৃতভাবে আল কায়েদা জঙ্গীদেরকে এ দেশে তৎরতা চালানোর সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। যাতে এ নিষিদ্ধ দলটিকে নিয়ন্ত্রণে রেখে এর মাধ্যমে পশ্চিমা বিশ্বকে হুমকি দিয়ে নিজের প্রতি পশ্চিমাদের সমর্থন আদায় করতে পারে।
ইয়েমেনের জনৈক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ‘হুসাইন এওয়াজী’ এক সাক্ষাতকারে বলেছেন: ইয়েমেন সরকার কিছু কিছু সংস্থাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করে দিয়েছে এবং কিছু কিছু সংস্থাকে -বিশেষ করে নিরাপত্তা বিষয়ক কিছু কিছু সংস্থাকে- আল কায়েদা সদস্যদের হাতে হস্তান্তর করেছে।
জনবা এওয়াজী বলেন: ইয়েমেনের স্বৈরাচারী সরকার, আন্তর্জাতিক মহলে উত্তেজনা সৃষ্টির মাধ্যমে ইয়েমেনের ব্যাপারে গৃহীত তাদের অবস্থানের বিষয়ে নতুনভাবে চিন্তা করার প্রতি আহ্বানের চেষ্টা চালাচ্ছে। এর পাশাপাশি স্বৈরাচারী এ সরকারকে যাতে আন্তর্জাতিক মহল পূনরায় সন্ত্রাসবাদ বিরোধী যুদ্ধের ক্ষেত্রে অন্যতম সক্রিয় সরকার হিসেবে পূনরায় স্বীকৃতি দেয় সে লক্ষ্যে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
রাজনৈতিক এ বিশ্লেষক, আব্দুল্লাহ সালেহ এ ধরণের পদক্ষেপের মাধ্যমে অভ্যন্তর ও বহির্বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে না বলে মনে করেন।#