৭ এপ্রিল ২০১১ - ১৯:৩০

আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয় অভ্যন্তরে বর্তমানে খুবই ভয়ংকর একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তার ভিত্তিতে আল আযহারের মধ্যপন্থা অবলম্বনের নীতিকে অপসারণ করে তদস্থলে উগ্র চিন্তাধারা স্থলাভিষিক্ত করার পায়তারা করা হচ্ছে।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট: আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রান্ড মুফতি ওয়াহাবীদের সমালোচনার ধারাবাহিকতায় –যারা সাম্প্রতিক মিসরের জনগণকে আল্লাহর আওলিয়াদের মাজারসমূহকে ধ্বংস করার প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল- তাদেরকে বর্তমান যুগের খাওয়ারেজ (যারা দ্বীন হতে বেরিয়ে গেছে) বলে আখ্যায়িত করেছেন।

ড. আহমাদ তাইয়্যেব, মিসর ও আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামের মধ্যমপন্থী চিন্তা ধারা –প্রায় ১ হাজার বছর ধরে চিন্তাধারার সংরক্ষণ করা হয়েছে- সরিয়ে সেস্থলে সালাফীদের উগ্রতা ও গোঁড়ামীপূর্ণ চিন্তাধারা প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়ে এহেন পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছেন।

তিনি হাজার হাজার ধর্মীয় ছাত্রদের মাঝে বক্তৃতাকালে, পবিত্র স্থানসমূহ ভেঙ্গে দেয়ার লক্ষ্যে উগ্র ওয়াহাবীদের আহ্বানকে ইসলাম বিরোধী বলে আখ্যায়িত করে বলেন: আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অতি ভয়ংকর এক চিন্তাধারার জন্ম নিচ্ছে, এর মাধ্যমে আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয় মধ্যপন্থী চিন্তাধারাকে সরিয়ে সেস্থলে উগ্র ও গোঁড়ামীপূর্ণ এক চিন্তাধারাকে স্থলাভিষিক্ত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

তিনি এ ফেতনাকে দূর করার ক্ষেত্রে আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের কর্তব্যকে অতি গুরুত্বপূর্ণ অভিহিত করে বলেন: উগ্র চিন্তাধারা মোকাবেলার দায়িত্ব হচ্ছে আল আযহারের ছাত্রদের কাঁধে। আমি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য আল আযহারের ছাত্রদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, উগ্র সালাফীদের কর্তৃক মিসরের বিভিন্ন পবিত্র স্থান বিশেষ করে রা’সুল হুসাইন (আ.) মসজিদ ভেঙ্গে দেয়ার আহ্বান, মিসরের ওলামা ও এদেশের গন্যমান্য ব্যক্তিদের ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে, মিসরের মুফতি হচ্ছে সমালোচকদের অন্যতম।#