আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট: ত্রাণবাহী ফ্রিডম-২ নৌবহরের আয়োজনকারীর আজ (৩রা জুলাই) ঘোষণা করেছেন যে, ত্রাণবাহী এ নৌবহরের সকল জাহাজ কয়েক সপ্তাহ বিলম্বের পর আগামীকাল (৪ঠা জুলাই) গাজা অভিমূখে রওনা হবে।
ইতিমধ্যে এ নৌবহর গাজায় পৌঁছুতে বাধা সৃষ্টি করতে ইসরাইলকে সহযোগিতা করছে গ্রীস। গ্রীস কর্মকর্তরা একটি জাহাজের ক্যাপ্টেনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মার্কিন নাগরিক ‘জন ক্লাসমায়ের’কে গ্রীসের রাজধানী এথেন্সের নিকটবর্তী স্থানে অবস্থিত ‘পিরায়েস বন্দর’ হতে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে পুলিশ তাকে আটকে রেখেছে।
গতকাল এসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে যে, গাজা অভিমূখী রওনা হওয়া সন্ধীপন্থী মার্কিন নাগরিকদেরকে গ্রীস নৌবাহিনী বন্দরে ফিরিয়ে এনেছে এবং এথেন্স সরকার ঘোষণা করেছে যে, তারা ফ্রিডম-২ নৌবহরের রওনা হওয়ার পথে বাধা দেবে।
ফ্রিডম-২ আয়োজকদের একজন ‘গার্টা বার্লিন’ টেলিফোনে রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, আমরা যাতে বন্দর ত্যাগ করতে না পারি সে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ইসরাইল তাদের সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে।
আয়ারল্যাণ্ডের সন্ধীকর্মীরা অভিযোগ তুলেছে যে, ইসরাইলীরা তাদের জাহাজকে তুরস্কে নষ্ট করে দেয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। তারা আরো জানিয়েছে যে, তেল আবিব তাদের জাহাজের ডক্যুমেন্ট্সকে সমস্যযুক্ত করে তোলের আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে।
এদিক যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘ নিয়ে গঠিত কমিটি আজ উক্ত নৌবহরে অংশগ্রহণকারীদের জীবন হুমকির সম্মুখীন এ অজুহাতে নৌবহরের সফর বাতিল করার দাবী জানিয়েছে।
উক্ত কমিটি ঘোষণা করেছে যে, ফ্রিডম-২ নৌবহর রওনা হলে মধ্যপ্রাচ্যের অবস্থা আরো গুরুতর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এতে অংশগ্রহণকারীদের জীবনও হুমকির মুখে পড়বে।#