ঈসা আহমাদ ছিলেন একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। শারীরীক সমস্যার কারণে তিনি পলায়নে সক্ষম হননি। আর এ কারণে স্বৈরাচারী সরকার সমর্থিত বাহিনী কর্তৃক সাতরাহ অঞ্চলে গত শুক্রবার নৃশংস হামলার পর তার কক্ষ বিষাক্ত গ্যাসে পূর্ণ হয়ে যায় এবং তিনি সেখান হতে সরে যেতে পারেননি।
তিনি বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর আহত হলে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।
এদিকে তার আহত হওয়ার সংবাদ যাতে প্রকাশিত না হয় সে ব্যাপারে স্বৈরাচারী আলে খলিফা সরকারের কর্মকর্তারা তার পরিবারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে।
দীর্ঘ দুই সপ্তাহ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ার পর আলহাজ্ব ঈসা আল-তুওয়াইল গতপরশু শাহাদত বরণ করেছেন এবং গতকাল তার দাফন কার্য সম্পন্ন হয়েছে।
বাহরাইনী এ নাগরিকের শাহাদতের মাধ্যমে বাহরাইনের গণবিপ্লবে শহীদদের সংখ্যা ৪১-এ পৌঁছেছে।
বলাবাহুল্য, বাহরাইনের স্বৈরাচারী সরকারের বাহিনী যে সকল গুলি ও বিষাক্ত গ্যাস ব্যবহার করছে তা সারা বিশ্বের প্রতিটি দেশেই নিষিদ্ধ।#