৮ মার্চ ২০১২ - ২০:৩০

৯ দিন হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ার পর অবশেষে শহীদ হলেন শিয়া যুবক নাভেদ হাসান। তিনি গতপরশু রাতে পাকিস্তানী শহীদদের কাতারে শামিল হয়েছেন।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট : পাকিস্তানের গিলগীত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে পুলিশী হামলায় আহতদের একজন হচ্ছেন নাভেদ, তিনি গতপরশু -৭ই মার্চ, বুধবার- শাহাদাত বরণ করেছেন।

গত সপ্তাহে মঙ্গলবারে আহলে বাইত (আ.) এর অনুসারীদেরকে বহনকারী একটি বাসের উপর সিপাহে সাহাবা সন্ত্রাসীদের চালানো হামলায় ২০ জন শাহাদাত বরণ করেন। এ নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে আহুত এক বিক্ষোভ মিছিল বের করে গিলগিত অঞ্চলের শিয়ারা। পাকিস্তান পুলিশ জনগণের এ বিক্ষোভকে তীব্রভাবে দমন করে এবং পুলিশের হামলায় যে সকল ব্যক্তিরা আহত হয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন হচ্ছে মোহাম্মাদ রেজার পুত্র নাভিদ হাসান।

আবনা প্রতিবেদক জানিয়েছে যে, নাভেদ হাসান প্রায় ৯ দিন হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ার পর গত বুধবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

 

কোয়েটাতে মধ্যরাতে সন্ত্রাসী হামলা : ৫ ব্যক্তি নিহত

এদিকে পাকিস্তান হতে প্রেরিত অপর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, পাকিস্তানের বালুচিস্তান রাজ্যের ‘কোয়েটা’ শহরের অন্তর্ভূক্ত ‘তুরবাত’ শহরের অধীনস্থ সীমান্তবর্তী এলাকা ‘মান্দ’-এ গত বুধবার মধ্যরাতে একটি যাত্রীবাহী বাস স্নিপার রাইফেলধারী সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় বাসের ৫ জন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছে। বাসের সকল যাত্রীরাই ছিল পাঞ্জাব প্রদেশের, তারা সামান্য বিশ্রাম গ্রহণের পর বাসে চড়ার সময় সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়। এ ঘটনায় অপর ৪ ব্যক্তি আহত হয়েছে এবং অন্যান্য বারের মত এবারও সন্ত্রাসীরা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। বাসের যাত্রীরা এদেশের পাঞ্জাব প্রদেশের শিয়ালকোট ও সিয়াহওয়াল অঞ্চল হতে ইরানে এসেছিল।

অবশ্য কিছু কিছু সংবাদ সূত্র জানিয়েছে যে, ঐ বাসের সকল যাত্রীরাই ছিল পাকিস্তানি যায়ের। তারা ইরান হতে যেয়ারত শেষে নিজ শহরে ফিরছিলেন। কিন্তু পাকিস্তান বিষয়ক এক বিশ্লেষক বার্তা সংস্থা আবনাকে দেয়া সাক্ষাতকারে বলেছেন : ওটা পাকিস্তানি যায়েরদের যাতায়াতের রুট নয়।

তিনি বলেন : পাকিস্তানের পাঞ্জাব ও বালুচিস্তান রাজ্যের মাঝে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ফলশ্রুতিতে এ ঘটনা ঘটেছে, যা দীর্ঘ বছর যাবত চলে আসছে।#